প্রকৃতি প্রেমী পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত তাহিরপুর পর্যটন কেন্দ্র

1

রোকন তাহিরপুর সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:করোনার মহামারীর কারনে দেশে সকল পর্যটন গুলো বন্ধ ছিল, দীর্ঘ দুই মাস আট দিন পর খুলে দেওয়া হলো সুনামগঞ্জের সব পর্যটনকেন্দ্র। বিধিনিষেধ উঠে যাওয়ায় সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় অবস্থিত টাঙ্গুয়ার হাওর, নীলাদ্রি লেক টেকেরঘাট, বারেকটিলা শিমুল বাগান সহ পর্যটন এলাকায় সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য ইতিমধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পর্যটকরা আসতে শুরু করেছেন ।প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতি মধ্যে কিছু সর্ত দেওয়া হয়েছে যেমন সাস্থবিধি মেনে পর্যটন এলাকায় ঘুরাঘুরি করতে হবে, মাক্স পরিধান করতে,বেশি লোকজন একস্থানে সমবেত হওয়া যাবেনা সামাজিক দুরত্ব বজায রাখতে হবে। এদিকে পর্যটন এলাকায় নিষেধাজ্ঞা তুলে দেওয়ায় তাহিরপুরের ছোট বড় ব্যাবসায়ী, নৌকার মালিক ও মাঝি, মটর শ্রমিকসহ সকলের মুখে হাসির ঝিলিক ফুটে উঠেছে। তাহিরপুর বাজারের বিশিষ্ট ব্যাবসাযী জনাব বেলায়েত হুসেন বলেন করোনা মহামারীর আগে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পর্যটকরা আসত আমরা তাদের কাছে বিক্রি করে মুনাফা অর্জন করতাম তাহিরপুর বাজার লোকে লোকারন্য থাকত, কিন্তুু করোনা মহামারীর কারনে পর্যটন এলাকায় নিষেধাজ্ঞা থাকার কারনে আমরা ব্যাবসায়ীরা অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি, সরকার পর্যটন এলাকা থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে এখন আবার তাহিরপুরে কর্মচাঞ্চল্য ফিরে আসবে ব্যাবসায়ীরা তাদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবে আশা করি।আমরা বলব যাত্রা পথে মাক্স পরিধান করোন আপনি নিরাপদ থাকুন অন্যকে নিরাপদ রাখতে সহযোগিতা করোন। মোটর যান মালিক জনাব তুহিন মিয়া বলেন করোনার আগে প্রতিদিন ১০০০ থেকে ১৫০০ টাকা রোজকার করতাম কিন্তুু করোনার সময পর্যটন এলাকায় নিষেধাজ্ঞা থাকার কারনে আমরা অনেক কষ্ট করে পরিবার চালাতে হযেছে। সরকার এখন সকল পর্যটন এলাকা থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে আশা করছি আমরা রোজকার করে পরিবারকে নিয়ে চলতে পারব।টাঙ্গুয়ার হাওরে পর্যটকদের নিয়ে যাতায়াত কারি নৌকার মালিক মারুফ হাসান বলেন করোনা মহামারীর সময় সরকার পর্যটন এলাকায় নিষেধাজ্ঞা জারি করার কারনে আমরা নৌকার মালিক মাঝি সহ অনেকেই কষ্টে দিন কাটাতে হয়েছে।এখন পর্যটন এলাকা থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করার কারনে শত শত নৌকার মালিক মাঝিদের মুখে হাসি ফিরে এসেছে। কারন অনেক মাঝি তার একমাত্র ইনকামের রাস্তা হলো নৌকা চালিয়ে জিবিকা নির্বাহ করা।আমরা সরকারের সকল সর্ত মেনে নৌকা পরিচালনা করব সবাই মাক্স পরিধান করব সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে চলাফেরা করব।

নিউজটি শেয়ার করুন...
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •