তাহিরপুরে নির্মাণকাজ শেষ না হতেই রাস্তায় ফাটল

23

তাহিরপুর প্রতিনিধি।

সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলায় সড়ক নির্মানকাজ শেষ না হতেই বিভিন্ন জায়গায় ফাটল দেখা দিয়েছে। উপজেলা সদর থানা হতে ভাঠিতাহিরপুর গ্রামের এীমুখী পর্যন্ত চলছে জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তা নির্মানের কাজ। জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি ফাটল দেখা দিলে সিমেন্টের প্রলেপ দিয়ে এসব ফাটল বন্ধ করা হচ্ছে। সড়কের একাদিক জায়গায় ফাটলের বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসী অভিযোগ করলে স্বজমিনে গিয়ে দেখা যায়  নির্মান কাজের ঠিকাদর প্রতিষ্টানের লোকজন তাড়াহুড়ো করে সড়কের ফাটল জায়গায় সিমেন্টের প্রলেপ দিয়ে বন্ধ করার ব্যাবস্থা করছেন।উপজেলা এলজি ইডি অফিস মারফতে জানাযায় সড়ক নির্মান কাজের দায়িত্ব পান ঠিকাদার প্রতিষ্টান বাবুল পুরকায়স্থ। সড়কের পাশের দোকানদার সাজু মিয়া বলেন এতটাকা খরছ করে সরকার রাস্তা বানাচ্ছে অথছ কাজ শেষ না হতেই ফাটল দেখা দিয়েছে, আবার ফাটল বন্ধ করার জন্য সিমেন্টের লেফ দিচ্ছে। ভাটি তাহিরপুরের বিশিষ্ট সমাজ সেবক জনাব মাহবুব চৌধুরী বলেন এই রাস্তাটি অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রাস্তা।  এই রাস্তাদিয়ে প্রতিদিন শত শত পর্যটক আসাযাওয়া করে সরকার রাস্তাটি নির্মান করার জন্য পর্যাপ্ত পরিমান টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। কিন্তুু রাস্তার কাজ শেষ না হতেই রাস্তায় ফাটল দেখা দিয়েছে রাস্তাটি যেন টেঁকসই হয় সে ব্যাবস্থা করবেন কর্তৃপক্ষ। হাওর বাঁচাও তাহিরপুর উপজেলা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক জনাব নাসরুম বলেন তাহিরপুর একটি পর্যটন সম্বাময়ী এলাকা এখানকার যাতায়াত ব্যাবস্থা ভালো থাকলে পর্যটকদের পদচারনা আরো বাড়বে। জনগুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তাটি দিয়ে প্রতিদিন অসংখ্য গাড়ি চলাচল করে, সরকার রাস্তাটি নির্মানের জন্য পর্যাপ্ত পরিমান বরাদ্দ দিয়েছে কিন্তুু পরিতাপের বিষয় হল রাস্তার কাজ শেষ না হতেই বিভিন্ন জায়গায় ফাটল দেখা দিয়েছে,ঠিকাদার প্রতিষ্টান ফাটল বন্ধ করতে সিমেন্টর প্রলেপ দিচ্ছে। এলাকাবাসীর দাবি কর্তৃপক্ষ রাস্তাটি পরিদর্শন করে ব্যাবস্থা নেবেন।সড়ক নির্মানকাজের ঠিকাদার বাবুল পুরকায়স্থ বলেন সড়ক নির্মানকাজ শুরু হয়েছে। সড়কে যদি সামান্য সমস্যা হয়ে থাকে তা সমাধান করা হবে।তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বাবু করোনা নিন্ধু চৌধুরী বাবুল বলেন সড়ক নির্মানকাজে কোন ধরনের অনিয়ম হলে কোন রকম ছাড় নয়।বিষয়টি নিয়ে ঠিকাদারের সাথে কথা বলব।

নিউজটি শেয়ার করুন...
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •