জিবনের ঝুঁকি নিয়ে চাকরি বাচাঁতে গ্রাম ছাড়ছেন তাহিরপুরের গার্মেন্টস কর্মীরা

0

রোকন তাহিরপুর প্রতিনিধি। করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি থাকলেও চাকরি বাঁচাতে গ্রাম ছেড়ে শহরমুখি হচ্ছে সুনামগঞ্জ তাহিরপুর উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের শত শত মানুষ।ঢাকাসহ আশপাশের পোশাক কারখানাগুলোতে যোগ দিতে গতকাল থেকেই দলে দলে গ্রাম ছাড়ছে এসব শ্রমজীবী মানুষ।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউনে শুক্রবার(২৩জুলাই)ভোর ৬টা থেকে (৫,আগস্ট)১২টা পর্যন্ত। এর পূর্বে পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে ১৪জুলাই মধ্যরাত থেকে ২৩জুলাই সকাল ৬টা পর্যন্ত বিধিনিষেধ শিথিল করে সরকার।এই সুযোগে ঈদের ছুটিতে,পরিবার নিয়ে ঈদ আনন্দ উপভোগ করার জন্য শহর ছেড়ে ছোটে আসে গ্রামের বাড়িতে বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকরা।

কিন্তু করোনা সংক্রমণ রোধে সরকার ১৪দিনের লকডাউন দিলেও কারখানা কর্তৃপক্ষ তাদের ছুটি দিয়েছে মাত্র সাতদিনের। তাই সরকার ঘোষিত লকডাউনের মধ্যেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গ্রাম ছেড়ে শহরমুখি কর্মস্থলের দিকে ছুটে চলছে এসব শ্রমজীবী মানুষ।

গতকাল (২৯জুলাই)তাহিরপুর হাওরপার থেকে রওয়ানা হওয়া পোশাক কর্মী সালেহা খাতুন বলেন ,করোনা সংক্রমণ রোধে সরকার ঘোষিত ১৪দিনের লকডাউন ঘোষণা দিলেও আমাদের ছুটি দিয়েছে ৭দিনের,তাই অনুপস্থিত থাকলে আমাদের চাকরি থাকবেনা। বাধ্য হয়েই জিবনের ঝুঁকি নিয়ে যেতে হচ্ছে।পেটের ক্ষুধার কাছে করোনাভাইরাস কিছুই না। জীবনের ঝুঁকি থাকলেও আমাকে কর্মস্থলে যেতে হবে।চাকরি না থাকলে সংসার চলবে কিভাবে।

শহরমুখি শ্রমিকদের অনেকের সাথে মোবাইল ফোনে কথা বলে জানাযায় সড়ক-মহাসড়কে দূরপাল্লার বাস চলাচল না করায় ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে তাদের।

জেলার অভ্যন্তরীণ পরিবহণ,মাইক্রোবাস,প্রাইভেটকার, সিএনজি,অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল যোগে কয়েকগুণ বেশী ভাড়া দিয়ে ভেঙে ভেঙে কর্মস্থলে যেতে হচ্ছে তাদের।

নিউজটি শেয়ার করুন...
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •