গার্মেন্টস এর কাজে যোগ দিতে বালু উত্তোলনের ড্রেজারে যাচ্ছে মানুষ

0

আকতার হাসান কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : করোনা আতঙ্ক পিছে ফেলে, লকডাউন উপেক্ষা করে জনস্রোত নেমেছে চিলমারীর রমনা ঘাটসহ বিভিন্ন ঘাটে। স্বাস্থ্য বিধির বালাই নেই। মুখে মাস্ক নেই। পা ফেলানোর জায়গা নেই নৌকা কিংবা নৌ-যান গুলোতে। দ্রুত ঢাকা ফেরার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে যাত্রীদের নিকট থেকে আদায় করা হচ্ছে দ্বিগুণ ভাড়া। হয়রানির শিকার হচ্ছে যাত্রীরা। দ্বিগুণ ভাড়া আদায় ও অতিরিক্ত যাত্রী উঠানো হলেও অজ্ঞাত কারণে নিরব প্রশাসন।জানা গেছে, চলমান লকডাউনে হঠাৎ করেই শিল্পকারখানা খোলার নির্দেশের সাথে সাথে ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে গমনকারীরা যেন হুমড়ি খেয়ে পড়েছে। লকডাউন উপেক্ষা করে কুড়িগ্রামের চিলমারীর রমনা, জোড়গাছ, ফকিরেরহাটঘাটে নেমেছে জন¯্রােত। একটির পর একটি নৌকাসহ নৌ-যানগুলো ছেড়ে দিচ্ছে অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে। এমনকি বালু উত্তোলনকারী ড্রেজারেও ভর্তি করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে মানুষ। একদিকে যাত্রী নেয়া হচ্ছে অতিরিক্ত সাথে ভাড়াও আদায় করা হচ্ছে দ্বিগুণ। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কর্মস্থলে যেতে হুমড়ি খেয়ে পড়েছে কর্মজীবিরা। শনিবার সরেজমিন রমনা ঘাটে দেখা গেছে, হাজার হাজার মানুষের জনস্রোত নেমেছে। নৌকা এবং বালুর ড্রেজারে উঠতে হুমরি খেয়ে পড়ছে মানুষ। শুধু তাই নয় উঠতে গিয়ে অনেকে পড়ে যাচ্ছেন নদীতে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানুষের চাপে ইতি মধ্যে দু’টি নৌকা ভেঙে গেছে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। কারখানা খুলে দেয়া হচ্ছে শুনেই ছুটে এসেছেন রমনাঘাটে সাজেদুল, মমিনুল, সাহেদ, কথা হলে তারা জানান, লকডাউন বাস চলাচল বন্ধ তাই নৌকা দিয়ে পাড় হয়ে রাজিবপুর হয়ে কর্মস্থল ঢাকা যাবেন কারন কারখানা খোলা হবে তাই জীবনের ঝুঁকি নিয়েই চলছেন। এসময় অনেকে জানান, যদি শিল্পকারখানা খুলে দেয়াও হবে তাহলে কেন বাস চলাচল স্বাভাবিক করা হচ্ছে না, কর্মজীবি মানুষকে কেন হয়রানী করা হচ্ছে। বালুর ড্রেজারে যাত্রী হয়ে রাজিবপুর যাচ্ছেন শহিদুল, আকবর তারা বলেন, এখানে নেয়া হয়েছে অতিরিক্ত যাত্রী এর উপর ভাড়া নেয়া হচ্ছে আগের তুলনায় দ্বিগুণ। ঘাটে টাকা উত্তোলনের দায়িত্ব থাকা কয়েকজন জানান, আমাদের কি করার আছে মানুষ তো মানছেনা। উল্লেখ, কুড়িগ্রামের উলিপুর, চিলমারীসহ কয়েকটি উপজেলায় বিপুল সংখ্যক গার্মেন্টস কর্মী ঢাকাসহ বিভিন্নস্থানে কর্মরত রয়েছে। ঈদের ছুটিতে তারা নানাভাবে বাড়ি এসেছে। হঠাৎ গার্মেন্টসসহ কারখানা খোলার সংবাদে নৌপথেই তারা গন্তব্যে পৌঁছাতে মরীয়া। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাহবুবুর রহমান বলেন, দ্বিগুণ ভাড়া আদায়ে সুযোগ নেই, কেউ আদায় করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন...
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •