শিবগঞ্জে সেনা সদস্য কর্তৃক প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ: থানায় মামলা

44

অভিজিৎ বাপ্পী শিবগঞ্জ (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ  বগুড়ার শিবগঞ্জে সেনা সদস্য কর্তৃক  ফুসলিয়া এক প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ, থানায় মামলা। 

শিবগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের চাঁদনিয়া শিবগঞ্জ গ্রামের  নবাব আলী লব এর পুত্র অভিযুক্ত সেনা সদস্য  সোহেল রানা (২৪) এর বিরুদ্ধে প্রবাসীর  স্ত্রী গত ১লা সেপ্টেম্বর শিবগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-২, তারিখ ০১/০৯/২০২১ । 

মামলা সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত সোহেল রানা সু-কৌশলে ওই প্রবাসীর স্ত্রীর মোবাইল ফোন নাম্বার সংগ্রহ করে এবং ফেসবুক একাউন্ট সংগ্রহ করে তাকে বারবার কু-প্রস্তাব সহ প্রেমের প্রস্তাব আবার কখনো বিয়ের প্রস্তাব, কখনো বা শারীরিক সম্পর্কের  প্রস্তাব দিতো। ওই প্রবাসীর  স্ত্রী অভিযুক্ত সেনা সদস্যর কু-প্রস্তাবে এবং প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাক্ষন করে । কিন্তু সেনা সদস্য যেন একটু গায়ের জোরে সম্পর্ক করার চেষ্টা করতো। 

এরই একপর্যায়ে গত ২৩ আগষ্ট বিকেলে প্রবাসীর স্ত্রী তার ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন মেরামত করার কাজে শিবগঞ্জের নিমতলা এলাকার অঙ্গসাজ টেইলার্স এর সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ জোরপূর্বক  তাকে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে রায়নগর এলাকায় সোহেল রানা তার চাচাতো বোনের বাড়িতে নিয়ে যায়। 

সেখানে থাকা সোহেল রানার ভাগিনা রবিউল ইসলাম (২৫) তাকে বাড়িতে ঢোকা সহ সার্বিক সহযোগিতা করেন। অভিযুক্ত সেনা সদস্য প্রবাসীর স্ত্রীর অনিচ্ছা সত্ত্বেও তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে, পরে বিয়ে করার কথা বলে কৌশলে শিবগঞ্জ পৌরসভার সামনে প্রবাসীর স্ত্রীকে ফেলে যায়।

অভিযুক্ত  সোহেল রানার সাথে কথা বলার জন্য  বাড়িতে গেলে তাকে পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে তার পরিবারের লোকজন কোন কথা বলতে রাজি হয়নি। 

ভুক্তভোগী মা জানান, আমারা গরীব ও অসহায়। আমার স্বামী অটো ভ্যান চালক, সারাদিন অটো ভ্যান চালিয়ে জীবন জীবিকা নির্বাহ করি। আমার এই মেয়ের কিছু হলে তার দায় দায়িত্ব কে নিবে। আমার মেয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে । আমার প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সুদৃষ্টি কামনা করছি। 

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশের উপপরিদর্শক বেলাল হোসেন বলেন, আসামী সেনাবাহিনীতে চাকুরী করে। সে বর্তমানে  পলাতক । প্রায় গত ২০ দিন হলো লাপাত্তা রয়েছে। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন...
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •