শিবগঞ্জে দুর্গাপূজায় ৩’শ পরিবারের মধ্যে বস্ত্র বিতরণ করলেন জেলা প্রশাসক

7

অভিজিৎ বাপ্পী শিবগঞ্জ (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ 

বগুড়ার জেলা প্রশাসক জিয়াউল হক বলেছেন, পূজায় মানুষ নতুন জামা, নতুন শাড়ি পড়তে চায়। শিবগঞ্জের মেয়র প্রতিবছর সেই নতুন বস্ত্র উপহার দিয়ে যাচ্ছেন। যা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেখি মেয়র মহোদয় বিভিন্ন সমাজসেবামুলক কাজ করছেন যা খুব ভাল লাগে। তিনি বলেন, ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। আমাদের সবার উচিৎ অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো।

সোমবার বিকেলে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা সদরে বঙ্গবন্ধু স্কয়ারে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বস্ত্রবিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।  

পৌরসভার মেয়র তৌহিদুর রহমান মানিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উম্মে কুলসুম সম্পা, শিবগঞ্জ থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী  লীগের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তা।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি রাম নারায়ন কানু। 

জেলা প্রশাসক বলেন, চলতি বছর শিবগঞ্জ পৌরসভা ৪০ লাখ টাকার  বকেয়া ট্যাক্স আদায় করেছেন যা সত্যিই প্রশংসার কথা। তিনি সবাইকে ট্যাক্স প্রদানের আহবান জানিয়ে ট্যাক্সের টাকায় এলাকার উন্নয়ন হয়।   

প্রধান অতিথি বলেন, যানজট নিরসনে পৌর মেয়র গুরুত্বপূর্ন সড়কে ট্রাফিক পুলিশ চালু করতে পারেন। এতে যানজট নিরসন হবে।  

সভাপতির বক্তব্যে পৌর মেয়র তৌহিদুর রহমান মানিক বলেন, ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পূজার আনন্দ সবার সঙ্গে ভাগাভাগি করে নেয়ার জন্য এ আয়োজন। গরীব-দুঃখিরা যাতে পূজার সময় নতুন বস্ত্র থেকে বঞ্চিত না হয় এজন্য তাদেরকে বস্ত্র দেওয়া।

তিনি বলেন, মেয়র নির্বাচিত হবার পর থেকেই সীমিত সম্পদের মধ্যেও সাধ্যমত চেষ্টা করছি সবার পাশে দাঁড়ানোর জন্য। আগামী দিনেও তা অব্যাহত থাকবে। পরে প্রধান অতিথি অস্বচ্ছল-অসহায় তিন শতাধিক পরিবারের মাঝে বস্ত্র বিতরণ করেন। এছাড়াও পৌরসভার ৫টি মন্দিরে আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়। 

উল্লেখ পৌর মেয়র তৌহিদুর রহমান মানিক মেয়র নির্বাচিত হবার পর গত ৬ বছর ধরে অস্বচ্ছল তিন শতাধিক পরিবারের মধ্যে বস্ত্র এবং স্বচ্ছল শতাধিক ব্যক্তির বাড়িতে নারিকেল ও চিনি পৌছে দেওয়া হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন...
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •