কীভাবে কোরবানির মাংস সংরক্ষণ করবেন চমৎকার যুক্তি

মোঃ এমদাদুল হক, স্টাফ রিপোর্টার

পশু জবাই করার পর সঙ্গে সঙ্গেই রান্না করা বা ফ্রিজে রাখা যাবে না। কারণ, কোরবানির পর কয়েক ঘণ্টা মাংস শক্ত থাকে। মাংস একটু নরম হওয়ার পর রান্না করতে পারেন এবং ধুয়ে ফ্রিজে রাখতে পারেন। এতে মাংস রান্না করার পর সুস্বাদু হবে এবং ফ্রিজে রাখলে অনেক দিন ভালো থাকবে। না ধুয়েও রাখতে পারেন কিন্তু ধুলে ভাল করে পানি মুছে নিতে হবে।

একসাথে ২/৩ প্যাকেটের বেশী মাংস ফ্রিজে রাখবেন না।২/৩ কেজি রেখে ২/৩ ঘন্টা অপেক্ষা করে আবার রাখতে হবে। অনেকেই এই ভুল টা করে।এতে নীচের মাংস বরফ হতে পারেনা, কিংবা অনেক বেশী সময় লাগে তখন পচে যায়।

ফ্রিজে মাছের সঙ্গে মাংস রাখবেন না। এতে মাছ-মাংস দুটোই নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

মাংস ছোট ছোট প্যাকেটে রাখুন। ফ্রিজ থেকে বের করতে সুবিধা হবে। না হলে পুরো মাংস বের করা কঠিন হয়ে যাবে। জিপলগ ব্যাগের বেশি অর্ধেক মাংস রেখে খালি অংশ ভাজ দিয়ে রাখুন।

ফ্রিজে গরুর মাংস পাঁচ থেকে ছয় মাস, খাসির মাংস চার থেকে পাঁচ মাস পর্যন্ত রাখা যায়। তবে কলিজা বেশিদিন ফ্রিজে না রাখাই ভালো। এতে স্বাদ নষ্ট হয়ে যেতে পারে। দুই মাসের মধ্যে রান্না করলে স্বাদের হেরফের হবেনা।

ফ্রিজের মধ্যে বাক্সের থেকে একটু মোটা প্লাস্টিকের ব্যাগেই মাংস রাখা উচিত। চর্বি না রাখাই ভাল।

মাংস ফ্রিজে রাখার এক সপ্তাহের মধ্যে খুব একটা দরকার ছাড়া ফ্রিজ খুলবেন না। এতে মাংস শক্ত হওয়ার আগেই বাতাস লাগলে বেশিদিন ভালো থাকবে না।
মাংস রাখার ৪৮ ঘন্টা পরে খেয়াল করে দেখবেন বরফ হয়েছে কিনা তাহলে প্যাকেটগুলো একটু জায়গা বদল করে রাখবেন।

একটি বড় হাঁড়িতে মাংস জ্বাল দিয়ে রাখতে পারেন। এভাবে প্রতিদিন জ্বাল দিয়ে অন্তত চার থেকে পাঁচ দিন মাংস ভালো থাকবে। জাল দেওয়ার সময় মাংসের মধ্যে অল্প লবণ,হলুদ দিতে ভুলবেন না।

মাংস কাটার জায়গা, ছুরি, বটি পরিষ্কার রাখতে সচেতন হোন।