পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলায় শূন্য পদে (গ্রাম মহল্লাদার) গ্রাম পুলিশ নিয়োগ সম্পন্ন হওয়ার পূর্বেই অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
সুত্রে জানা গেছে, ইতিমধ্যে বিভিন্ন দপ্তরে এ বিষয় নিয়ে অভিযোগ পত্র দিয়েছেন উক্ত উপজেলার জনৈক জাকির হোসেন নামক এক ব্যক্তি।এ অভিযোগ পত্রে তিনি যে সকল কথা উল্লেখ করেছেন তা এখানে হুবাহুব তুলে ধরা হল,সম্প্রতি খুবই গোপনে মির্জাগঞ্জ উপজেলায় ৬ টি ইউনিয়নে গ্রাম পুলিশের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মির্জাগঞ্জ, পটুয়াখালী বিজ্ঞপ্তি টি প্রকাশ করেন।
মির্জাগঞ্জ উপজেলার ৬ ইউনিয়নের চেয়ারম্যানবৃন্দ তাদের পছন্দ মতো প্রার্থী নিয়োগের লক্ষ্যে এই বিজ্ঞপ্তি টি গোপনে প্রকাশ করার জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে তাদের হাত করেন। এতে চেয়ারম্যান বৃন্দ তাদের পছন্দের প্রার্থীদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থের লেনদেন করেন। এমতাবস্থায় আমাদের (তাদের) মতো সাধারণ জনগণ, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে আবেদন করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হই( হয়)।
আমরা( তাঁরা) সাধারণ মানুষ ঐ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আবেদন করার সুযোগ পাইনি এবং কোনো ইউনিয়নের নোটিশ বোর্ডে উক্ত বিজ্ঞপ্তি টি প্রকাশিত হয়নি।মির্জাগঞ্জ বাসীর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট আকুল আবেদন উক্ত অবৈধ নিয়োগ কার্যক্রম বন্ধের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিবেন।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অভিজ্ঞ মহলের একজন বিশেষ করে লেনদেন সংক্রান্ত বিষয়ে ১নং মাধবখালী,২ নং মির্জাগঞ্জ, ৩ নং আমড়াগাছিয়া ও ৫ নং কাকড়াবুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বৃন্দদের দিকে তীর ছুড়েছেন।সুত্রে আরও জানা গেছে, আজ ২ ডিসেম্বর শনিবার সকাল ১০টার সময় মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে মির্জাগঞ্জ উপজেলার ১ নং মাধবখালী, ২ নং মির্জাগঞ্জ, ৩ নং আমড়াগাছিয়া,৪ নং দেউলী-সুবিদখালী,৫ নং কাকড়াবুনিয়া ও ৬ নং মজিদবাড়িয়া ইউনিয়নের শুন্য পদে ৯ জন ( গ্রাম মহল্লাদার) গ্রাম পুলিশ নিয়োগের বোর্ড বসার তারিখ নির্ধারিত হয়েছে ( বসতে যাচ্ছে)।
এ বিষয় মুঠোফোনে ১ নং মাধবখালী ইউনিয়ন (ইউপি)র চেয়ারম্যান কাজী মোঃ মিজানুর রহমান লাভলু এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি মিটিং এ ব্যাস্ত আছি এই বলে মুঠোফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।এর পর কয়েক বার তাকে ফোন দিলেও তিনি ফোন কল রিসিভ না করায় তাঁর বক্তব্য নেওয়া যায়নি। উক্ত ব্যাপারে মুঠোফোনে ২ নং মির্জাগঞ্জ ইউনিয়ন (ইউপি) র চেয়ারম্যান এ্যাড,আবুল বাসার নাসির এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কে অভিযোগ দিয়েছেন, মির্জাগঞ্জ ইউনিয়নের কেউ জানিয়েছেন,এ অভিযোগের বিন্দু মাত্র সত্যতা নেই। এ ব্যাপারে মুঠোফোনে জানতে চাইলে ৩ নং আমড়াগাছি ইউনিয়ন ( ইউপির) চেয়ারম্যান এ,টি,এম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, কারো কোনো অভিযোগ থাকলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর নিকট জানা বেন,কোনও অনিয়ম হলে নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ করে দিবেন নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি, এ নিয়ে তাঁর পক্ষ থেকে কোন সমস্যা নেই। ৫ নং কাকড়াবুনিয়া ইউনিয়ন ( ইউপি)র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মাশকুুুর এর মুঠোফোনে উক্ত বিষয় জানতে কয়ক বার ফোন করা হলেও প্রতিবারই তাঁর ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।