
মিরপুর পল্লবীর বাউনিয়াবাদ এলাকায় সড়কজুড়ে অবৈধ মেলা নিয়ে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। পুলিশ তিনবার উচ্ছেদ অভিযানের পরও রাজনৈতিক প্রভাবশালী ব্যক্তিদের আশ্রয়ে পুনরায় বসানো হয়েছে এই মেলা। এলাকাবাসীর অভিযোগ,বিএনপি নেতা আমিনুল হকের অনুসারীরা,বিএনপি,যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা মেলা,সড়ক দখল ও চোরাই মোবাইল মার্কেট নিয়ন্ত্রণ করছেন।
মেলার নামে চাঁদাবাজি ও সংঘর্ষের শঙ্কা
ফুটপাত ও সড়কজুড়ে দোকান বসানোয় প্রতিদিন ভয়াবহ যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। চাঁদাবাজির অংশীদারিত্ব নিয়ে বিভিন্ন গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের সম্ভাবনা রয়েছে। যুবদল কর্মী শাহ আলম ও সেলিমের মতো প্রাণঘাতী ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটার আশঙ্কায় এলাকাবাসী আতঙ্কিত।
অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগে চলছে ব্যবসা
মেলার দোকানগুলো অবৈধভাবে রাষ্ট্রীয় বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহার করে পরিচালিত হচ্ছে। এসব অবৈধ দোকান পুলিশের টহল গাড়ির সামনেই নির্বিঘ্নে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।
পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
পল্লবী থানা পুলিশের পক্ষ থেকে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার দাবি করা হলেও প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিদের কারণে মেলা বারবার পুনরায় বসছে। পুলিশ কি নতুন কোনো মৃত্যুর খবর শোনার অপেক্ষায় আছে? এলাকাবাসীর প্রশ্ন।
তরু আহমেদ,জাকির হোসেনসহ এলাকাবাসীর দাবি ও উদ্বেগ মেলা ও চোরাই মোবাইল মার্কেটের দখলদারিত্ব এবং চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী। একই সঙ্গে এসব অনিয়মের পেছনে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
এখনই যথাযথ পদক্ষেপ না নিলে পল্লবীর বাউনিয়াবাদে বড় ধরনের সংঘর্ষের শঙ্কা রয়েছে,যা নতুন কোনো প্রাণহানির কারণ হয়ে উঠতে পারে। পুলিশের দায়িত্বশীলতা এবং রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত কার্যকরী পদক্ষেপই পারে এলাকাবাসীকে এই ভয়াবহ পরিস্থিতি থেকে মুক্তি দিতে।
এই বিষয় পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি নজরুল ইসলাম বলেন,সড়ক ফুটপাত দখল মুক্ত অভিযানে আমরা আবার যাবো।
ডিআই/এসকে