
মো. সফর মিয়া,নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের জিনোদপুর ইউনিয়নের মালাই গ্রামে যুবদল নেতা শোয়েব চৌধুরীর বিরুদ্ধে ঝাড়ু মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানিয় এলাকাবাসী শোয়েব চৌধুরীর বিরুদ্ধে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নামে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, হয়রানিমূলক ও মানহানিকর ফেসবুক পোস্টে হুমকি ও মিথ্যা মামলা দেয়ার প্রতিবাদে তার শাস্তি দাবি করে ঝাড়ু মিছিল ও প্রতিবাদ সভা করেছেন। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, স্থানিয় যুবদল নেতা শোয়েব চৌধুরীর শাস্তি দাবি করে স্রোগান দিতে থাকেন এলাকাবাসী। ঝাড়ু মিছিল থেকে দাবি করেন শোয়েব চৌধুরী দিন দিন এলাকায় উগ্র হয়ে উঠেছেন। তার আত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী। নানা সময়ে ফেসবুকে অকথ্য ও উগ্র ভাষায় হুমকিমূলক লেখালেখি ছাড়াও উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত মামলা করেন ও গভীর রাতে সাবেক মেম্বার কাদির মিয়ার বাড়িতে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলেছে। যাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন তাদের অনেকেই এলাকায় থাকেন না।রাসেল মিয়া ওরফে কিবরিয়া বলেন, শোয়েব গতকাল স্থানিয় মুরব্বিদের সাথে কথা কাটাকাটি করেন। পরে থানায় গিয়ে মিথ্যা অভিযোগ করেন তাকে আমরা হামলা করে জখম করি অথচ মাতাল অবস্থায় সে নির্মানাধীন ব্রীজে গিয়ে আহত হয় বলে জানতে পারি।কাদির মিয়া বলেন, গভীর রাতে শোয়েব থানায় মিথ্যা অভিযোগ করে পুলিশ নিয়ে আসে। পুলিশ আসার খবর আমরা লুকিয়ে পড়ি। পুলিশ এলাকা থেকে চলে গেলে দেখতে পাই শোয়েব বহিরাগত সন্ত্রাসীদের নিয়ে এলাকায় এসে সে আমার ঘরে আগুন দেয়। আমার চিৎকার-চেঁচামেচিতে তারা পালিয়ে যায়।নুরুল ইসলাম বলেন, শোয়েব যাদের বিরুদ্ধে তার উপর কথিত হামলার কথা বলেছে তা ডাহা মিথ্যা ও বানোয়াট। সাবেক মেম্বার সফিকুর রহমান সরকার বলেন, শোয়েব যাদেরকে আসামি করে অভিযোগ করেছে বলে শুনেছি তাদের কেউ এলাকায় থাকেন না। তারা এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি। অযথা হয়রানির করার জন্য সে চাঁদাবাজি ও হামলার নাটক সাজিয়েছে।
ঝাড়ু মিছিল সম্পর্কে যুবদল নেতা শোয়েব চৌধুরীকে ফোন দিলে তিনি জানান, আমাকে সামাজিকভাবে হেয় করার জন্য চক্রান্ত মূলক এরা এগুলি করছে আমি থানায় অভিযোগ করেছি আমার মামলা চলমান আছে।