
আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে ঢাকা মহানগর এলাকায় পুলিশি কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ৫০টি থানা এলাকায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ৬৬৭টি টহল টিম দায়িত্ব পালন করেছে। গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ৭১টি পুলিশি চেকপোস্টসহ সিটিটিসি, এটিইউ, এপিবিএন এবং র্যাবের টহল টিম দায়িত্ব পালন করেছে।
এই সময়ে মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে সাঁড়াশি অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ১৬৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৮মার্চ) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেসন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান এসব জানান।
তালেবুর রহমান বলেন, জননিরাপত্তা বিধান ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে ঢাকা মহানগর এলাকায় পুলিশি কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে ডিএমপিসহ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে সমন্বিত চেকপোস্ট ও টহল কার্যক্রম বৃদ্ধি করা হয়েছে।
ডিএমপির ক্রাইম কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টারের তথ্য জানিয়ে তিনি বলেন, গতকাল সোমবার (১৭মার্চ) ২৪ ঘন্টায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ৫০টি থানা এলাকায় জননিরাপত্তা বিধানে দুই পালায় ডিএমপির ৬৬৭টি টহল টিম দায়িত্ব পালন করে। তন্মধ্যে রাতে ৩৪০টি ও দিনে ৩২৭টি টিম দায়িত্ব পালন করে। টহল টিমগুলোর মধ্যে রয়েছে মোবাইল পেট্রোল টিম ৪৭৯টি, ফুট পেট্রোল টিম ৭৩টি ও হোন্ডা পেট্রোল টিম ১১৫টি।
এছাড়া মহানগর এলাকার নিরাপত্তা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত স্থানে ডিএমপি কর্তৃক ৭১টি পুলিশি চেকপোস্ট পরিচালনা করা হয়।
তিনি বলেন, গত ২৪ ঘন্টায় মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত মোট ১৬৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছে ১০ জন ডাকাত, ১১ জন পেশাদার সক্রিয় ছিনতাইকারী, তিনজন চাঁদাবাজ, আটজন চোর, ১২ জন মাদক কারবারি, ২৯ জন পরোয়ানাভূক্ত আসামিসহ অন্যান্য অপরাধে জড়িত অপরাধী।
অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকার, একটি পিকআপ, পাঁচটি মোটর সাইকেল, পাচঁটি মোবাইল ফোন, আটটি চাকু, একটি চাপাতি, একটি বড় ছুরি, একটি লোহার রেঞ্জ, একটি লোহার রড, দুটি ককটেল সদৃশ বস্তু, একটি সিপিইউ, একটি মনিটর ও একটি প্রিন্টার উদ্ধার করা হয়।
এছাড়া উদ্ধারকৃত মাদকের মধ্যে রয়েছে দুই হাজার ১৩২ পিস ইয়াবা, ১৮ গ্রাম হেরোইন ও ২০০ গ্রাম গাঁজা।
এছাড়াও ২৪ ঘণ্টায় ডিএমপির বিভিন্ন থানায় ৬৩টি মামলা করা হয়। গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানান ডিসি মুহাম্মদ তালেবুর রহমান।
ডিআই/এসকে