
নিজস্ব প্রতিবেদক: নাইক্ষ্যংছড়ির পাশ্ববর্তী রামুর কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের হাইস্কুল পাড়া গ্রামে ছোট ভাই ছুরুত আলম প্রকাশ কালাবদা ও তার পরিবারের লোকজনের হামলায় আপন বড় ভাই ফকির মোহাম্মদ গুরত্বর আহত হয়।
এ দিন আহত ফকির মোহাম্মদকে স্বজনরা ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে প্রথমে রামু উপজেলা সদর হাসপাতালে পরে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এ ঘটনায় আহত ফকির মোহাম্মদ বাদী হয়ে ১৭ মার্চ রামু থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায় গত ১৫ মার্চ দুপুরে হাইস্কুল পাড়া গ্রামের মৃত দলিলুর রহমানের দুই ছেলে বড় ভাই ফকির মোহাম্মদ ও ছোট ভাই সীমান্ত চোরাচালান কারবারি ছুরুত আলম প্রকাশ কালাবদার ছেলেদের সাথে জমির বিরোধকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটে। আহত বড় ভাই ফকির মোহাম্মদ এ প্রতিবেদককে জানান আমার ক্রয় করা জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্ট করলে এই নিয়ে সামাজিক ভাবে বিচার সালিশ হলেও সে মানেনা। ওই দিন ছোট ভাই ছুরুত আলম, তার ছেলে তারেক,সহ পরিবারের অপরাপর সদস্যরা দা, লাঠি নিয়ে আমার উপর অতর্কিত হামলা চালায় এতে গুরত্বর আহত হই।
এছাড়াও তারা আমাকে ও আমার পরিবারের অনন্য সদস্যদের হত্যা ও গুমরে করার হুমকি দেয়। এ বিষয়ে আমি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ছুরত আলম জানান সীমানার বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটির জের সামান্য ধাক্কা-ধাক্কি হয়েছে। কেউ তাকে মারেনি।