
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি ১১ বিজিবির অধীনস্থ সীমান্তের ভাল্লুক খাইয়া ও জারুলিয়া ছড়ি বিওপির বিজিবি জোয়ানরা মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আসার পথে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে তিনটি বার্মিজ গরু ও বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারে পাচার কালে বিভিন্ন প্রকারের বিপুল মালামাল জব্দ করেছেন।
বুধবার (১৩ মার্চ) ১১ বিজিবির অধিনায়ক এস এম কফিল উদ্দিন কায়েস এর দিকনির্দেশনায় ও সহকারী পরিচালক মোঃ আল-আমীন এর নেতৃত্বে জারুলিয়া ছড়ি বিজিবির টহল দল মিয়ানমার থেকে আসার পথে গরু ও কনডেন্স মিল্ক (দুধ)জব্দ করেন। অপরদিকে ভাল্লুক খাইয়া বিজিবি জোয়ানরা অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ বিভিন্ন প্রকারের মালামাল জব্দ করতে সক্ষম হন। বিজিবি সূত্রে জানান জব্দ কৃত বিভিন্ন প্রকার মালামালের মধ্যে রয়েছে ২৫৮ পিস কনডেন্স মিল্ক (দুধ),এলুমিনিয়ামের পাতিল ১৫৬ কেজি,কলাপ নুডলস ১৬ হাজার ৭৯৫ পিস,কেক ২০ কাটুন, গ্যাস লাইটার ৫,২৩০ পিস, স্যান্ডেল ৮০ জুড়া। তিনটি বার্মিজ গরু সহ এসব মালামালের আনুমানিক সিজার মূল্য ১১ লক্ষ ৩৭ হাজার ৮ শত ৫ টাকা। স্থানীয়রা জানান রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের গর্জনিয়া বাজারের বেশ কয়েকটি দোকানদার সরাসরি মিয়ানমারে মালামাল পাচারে জড়িত রয়েছে। আবার কিছু লোকাল মানুষের সাথে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের কিছু রোহিঙ্গা দেশীয় পণ্য মিয়ানমারের পাচারের সাথে জড়িত রয়েছে। যার কারনে বিজিবির চোরাচালান প্রতিরোধে কঠোর নজরদারির মাঝেও চোরাচালান থেমে নেই। দিন রাত সমান তালে মিয়ানমারের পাচার করছে সয়াবিন তেল,পেট্রোল, ডিজেল,সার, দুধ,চিনি,ময়দা,চাউল,মোটরসাইকেল, ছোট বড় গাড়ির ফাস্টসহ বিভিন্ন প্রকারের খাদ্য পণ্য। বিনিময়ে বাংলাদেশে আসছে গরু, মাদকদ্রব্য। তবে সচেতন মহল সম্প্রতি বিজিবি কঠোর নজরদারি ও অভিযানকে সাধুবাদ জানান।
বিজিবির অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল এস এম কফিল উদ্দিন কায়েস সাংবাদিকদের জানান, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি অবৈধ অস্ত্র, মাদকদ্রব্য, বিভিন্ন পণ্য ও বার্মিজ গরু জব্দে অভিযান চলমান আছে। অপরাধী যেই হোক ছাড় নয়।