
মো. মাহামুদুল ইসলাম জয়, পঞ্চগড় প্রতিনিধি।।
পঞ্চগড়ের আটায়ারীতে ধর্ষণের পর লৌহমর্ষক হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। অটোবাইক চুরি করতে এসে গ্রাম বাসীর হাতে আটক হয় রিফাত (২৩) নামে এক যুবক। পরে উঠে আসে কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যার রহস্য।
সোমবার (১১ মার্চ) পঞ্চগড় পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সি জানান, ১৪ জানুয়ারি আটোয়ারী থানাধীন রুহিয়া-কিসমতদাপ রেললাইনে অজ্ঞাতনামা মহিলার খন্ড-বিখন্ড দেহ উদ্ধার করা হয়। এ সংক্রান্তে দিনাজপুর রেলওয়ে থানায় অপমৃত্যু মামলা নং-০১/২৫। এর প্রেক্ষিতে ০৮ মার্চ উক্ত ঘটনার মূল আসামী মোঃ রিফাত বিন সাজ্জাদ (২৩) কে গ্রেফতার করা হয়।সে বোদা থানার আওতাধীন মাঝগ্রাম এলাকার মোঃ আকতার হোসেনের ছেলে। অজ্ঞাত মহিলার এখনো পরিচয় পাওয়া যায়নি।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আসামী অজ্ঞাতনামা ওই মহিলাকে ১৩ জানুয়ারী রাতে আটোয়ারী থানাধীন কিসমত রেলগেটের পশ্চিম পার্শ্বে শাপলা কিন্ডার গার্ডেন স্কুলের দরজাবিহীন একটি কক্ষে ও পরবর্তীতে কিসমত রেলগেটের উত্তর-পূর্ব দিকে জনৈক হবিবর রহমানের চাটাই বেড়ার টিনের ঘরের পিছনের উত্তরে জনৈক আলমের সুপারি বাগানের মধ্যে নিয়ে গিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে এবং ধর্ষণ শেষে ইট দ্বারা মাথায় আঘাত করে হত্যা করে। পরবর্তীতে ছুরি দ্বারা শরীর বিভৎসভাবে ক্ষত-বিক্ষত করে রুহিয়া-কিসমত সেকশন রেল লাইনের উপর শুইয়ে রাখে।ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় সম্পূর্ণ ঘটনার স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে ধৃত রিফাত।
খুন ও ধর্ষণের অভিযোগে দুটি মামলা রুজু করা হয়েছে। যার একটি আটোয়ারী থানার মামলা নং ০৬, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ধারা ৯(২) এবং ধারা ৩৭৯/৪১১ পেনাল কোড,১৮৬০ রুজু করা হয়।মামলা দুটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।