
নাজিরপুর (পিরোজপুর) প্রতিনিধি :পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার উওর বানিয়ারী একটি লোহার ব্রিজের স্লাব ভেঙে রাতের আঁধারে রড চুরি হওয়ায় ঘটনায় একটি মামলা হয়। মামলার বাদী ও স্বাক্ষীরা নিরাপত্তহীনতায় রয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেছেন বাদী মাটিভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো: শহীদুল ইসলাম।
৯ ফেব্রুয়ারি রবিবার দুপুরে নাজিরপুর প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন এ অভিযোগ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মামলার বাদী মো:শহীদুল ইসলাম। তিনি লিখিত ব্যক্তব্যে জানান, গত ৩ মার্চ রাতে উত্তর বানিয়ারি একটি লোহার ব্রিজের স্লাব ভেঙে রাতের আঁধারে বিএনপি নেতা সরদার শাফায়েত হোসেন শাহীনের নেতৃত্বে ৩০ /৪০ জন লোক রড চুরি করে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে গত ৪ মার্চ স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় চুরির অপরাধের সংবাদ পরিবেশন হয়। যাহার পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা বিএনপি’র তদন্ত সাপেক্ষে তাদের লিখিত অভিযোগে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব গাজী ওহিদুজ্জামান লাভলু স্বাক্ষরীত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সরদার সাফায়েত হোসেন শাহীন ও বিএনপি কর্মী মোঃ হেদায়েত হোসেন খান, জাহিদুল ইসলামকে দল থেকে প্রাথমিক সদস্য পথ সহ বহিষ্কার করেন।
ব্রিজের রড চুরির বিষয়টি নাজিরপুর উপজেলা প্রশাসনের দৃষ্টি গোচর হলে তাহারা তদন্ত করে এবং আমি নিম্ন স্বাক্ষরকারী মাটিভাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক ও মাটিভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান হিসেবে সাক্ষীদের দের সাথে পরামর্শ করে নাজিরপুর থানায় বাদী হয়ে সরদার সাফায়েত হোসেন শাহীন ও বিএনপি কর্মী মোঃ হেদায়েত হোসেন খান, জাহিদুল ইসলাম ও অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে ৫ মার্চ নাজিরপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করি।
লিখিত বক্তব্য তিনি আরো বলেন, অত্যন্ত দুঃখের সহিত জানাচ্ছি যে একটি সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করতে গিয়ে বর্তমানে আমি ও আমার পরিবারসহ মামলার সাক্ষীরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। কারণ এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরদার সাফায়েত হোসেন শাহীন তারাবুনিয়া, হোগলাবুনিয়া বাজার সংলগ্ন ব্রিজের উপর মানববন্ধন করে। এদিন ওই পথে আমার ভাই লাইকুজ্জামান বাড়ি ফেরার পথে খালিদ হোসেন, পিতা এনায়েত সেখ এর নেতৃত্বে আরো ২০-২৫ জন দুর্বৃত্তরা মারধর করে এবং মামলার সাক্ষীদের জীবন নাশের হুমকি দিয়ে আসছে। এছাড়াও উক্ত সংবাদ সম্মেলনে আরো বলেন আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে বিষয়টিআপনাদের লেখনীর মাধ্যমে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নেতাদের দৃষ্টিগোচর করার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ জানান। এ সময় মামলার স্বাক্ষীরা তার সাথে উপস্থিত ছিলেন।
এবিষয়ে সরদার সাফায়েত হোসেন শাহীন কে একাধিকবার ফোন করলে তাকে ফোনে পাওয়া যায় নাই।