কমল গোপাল দে, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, বাউফল, পটুয়াখালী ও একই অফিসের খন্ডকালীন ঝাড়ুদার রনি সরকারি কাজে বিভিন্ন অনিয়ম এবং দূর্ণীতি করে যাচ্ছেন। এ যেন দেখার কেউ নেই। সুত্রে জানা গেছে, ডিলার নিয়োগে লাইসেন্স বাবদ ৫ হাজার টাকা করে জনপ্রতি হাতিয়ে নিয়েছেন তাঁরা। সরকারি কাজে নানা রকম ফাঁকি দিয়ে উক্ত উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক তার ব্যক্তিগত সহকারী রনি'র মাধ্যমে টিসিবি, খাদ্য বান্ধব ও কার্ডধারীর কাছ থেকে নানা উপায়ে অবৈধ ভাবে অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন। উক্ত অফিসারের এহেন কর্মকান্ডের জন্য তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করেছেন এ উপজেলার দুই ব্যক্তি।
তারা তাদের আরও অভিযোগ পত্রে আরও উল্লেখ করেন
উক্ত উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, বাউফল ও তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের ক্ষমতার দাপট দেখায় এবং হিন্দু সম্প্রদায় বিধায় সে কারো কোন কথা শোনে না এবং মানে না। উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, বাউফল, পটুয়াখালী ও তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী কে পটুয়াখালী থেকে বিভাগীয় শাস্তির ব্যবস্থা এবং অতি জরুরী বাউফল উপজেলা থেকে অন্যত্র বদলী করার দাবী জানিয়েছে উক্ত অভিযোগকারীরা।এ বিষয় জানতে বাউফল উপজেলা খাদ্য অফিসের খন্ডকালীন ঝাড়ুদার রনি'র মুঠোফোনে কল দিলে তিনি সাব জানিয়ে দেন কোনও বিষয় জানার থাকলে বাউফল উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক এর কাছে জানতে বলেন। এ ব্যাপারে জানতে বাউফল উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কমল গোপাল দে এর মুঠোফোনে দু'দিন ধরে এ প্রতিবেদক কল দিলেও তিনি ফোন কল রিসিভ না করায় তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। এ বিষয় জানতে পটুয়াখালী জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক এর অফিস কার্যালয়ে ৬ মার্চ বৃহস্পতিবার বেলা ১২ টায় গেলে উক্ত অফিস থেকে জানানো হয় অফিশিয়াল কাজে উক্ত অফিসার বাহিরে আছেন। তাই তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। পাঠক মহল চোখ রাখুন সকালের খবর নিউজ পোর্টাল এর প্রতিটি সংবাদের দিকে। অচিরেই প্রচার হবে বাউফল উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কমল গোপাল দে ও উক্ত অফিসের খন্ডকালীন ঝাড়ুদার রনি'র বিভিন্ন সময়ে করা বাকী অনিয়ম -দূর্নীতির খবর।