
খুলনার সাবেক যুবলীগ নেতা মনিরুজ্জামান সাগর ও তার প্রধান সহযোগী ফিরোজ ফকির কর্তৃক মোসাম্মৎ শাহানাজ বেগম ও মোহাম্মদ আক্তার আহাম্মেদ খান এর খরিদা জমি জোরপূর্বক দখল হওয়া জমি ফেরত পাওয়ার জন্য (বুধবার ৫ মার্চ) নিচখামার বিসমিল্লাহ মহল্লায় দুপুর ৩ টায় নিজ জমির সামনে ভুক্তভোগী আবেদন করেন।
ভুক্তভোগী আক্তার আহমেদ খান বলেন, জমির পূর্বের মালিক আবুল কালাম শেখ এর পক্ষে চিত্তরঞ্জন গাইন ও জবান আলীর নিকট হইতে ২০০২ সালে বারো কাঠা জমি ক্রয় করে মিউটেশন করে ভোগদখলে থাকে। পরবর্তীতে উক্ত জমি আমরা আল আরাফা ব্যাংক হইতে লোন করি। ২০১২ সাল পর্যন্ত ব্যাংকের সাইনবোর্ড থাকে আমার জমিতে। পরে ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ করিয়া ভোগদখল থাকি। পরবর্তীতে খুলনা সাবেক যুবলীগ নেতা মনিরুজ্জামান সাগর আমার জমি জোরপূর্বক দখলে নিয়ে আমাদের বিভিন্ন ভয়-ভীতি দেখায়। পরবর্তীতে তার কাগজ যাচাই বাছাইকরে জানিতে পারি যে ২০১০ সালে ভুয়া দলিল থেকে পাওয়ার নিয়ে সেই পাওয়ারের বুনিয়াদে আমাকে জমি থেকে উচ্ছেদ করে। পরবর্তীতে মনিরুজ্জামান সাগর মৃত্যুবরণ করায় তার প্রধান সহযোগী ফিরোজ ফকির এখন আমার এই জমিতে জোরপূর্বক ঘর তুলে দেয়। আর আমাকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি-ধমকি প্রদান করছে।
দখলে থাকা হালিমা নামে নারীর কাছ থেকে জানা যায়, ফিরোজ ফকিরের সহযোগী মিন্টু নামে একজন তাদেরকে জমি দখলে রাখার জন্য বিনা পয়সায় থাকতে দিয়েছে।
আশেপাশের বাসিন্দাদের কাছে জিজ্ঞাসা করলে তারা তাদের পরিচয় দিতে অপারগতা প্রকাশ করিয়ে বলেন, আমরা জমির কেনার পর থেকেই জানি যে এই জমি মোসাম্মৎ শাহানাজ বেগম ও মোহাম্মদ আক্তার আহাম্মেদ খান এর খরিদা। তাহারা আমাদের ২০০২ সালের পরের থেকে দেখে রাখতে বলেন। আমরা এই জমিতে বিভিন্ন প্রকার চাষাবাদ করে খেয়েছি। কিন্তু ১০-১৫ বছর পরে দেখি একদল আওয়ামী লীগের পরিচয়ধারী এসে জোরপূর্বক জমি দখল করেছে।