
বিআরটিএ টাঙ্গাইল জেলা সার্কেল এর মরটযান পরিদর্শক এনামুল হক ইমন,ঘুষ গ্রহন করে ফিটনেস বিহীন ও পরিত্যাক্ত গাড়ীগুলো ফিটনেস দিয়ে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে অবৈধভাবে কোটি কোটি টাকার সম্পদের পাহাড় গড়েছেন।
এসব বিষয়ের তদন্ত চেয়ে মঙ্গলবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সড়ক,জনপদ ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন মো.ফারুক আহমেদ নামের এক ব্যক্তি।
অভিযোগপত্রে মো.ফারুক আহমেদ বলেন,মো.এনামুল হক ইমন, মটরযান পরিদর্শক, বিআরটিএ টাঙ্গাইল জেলা টাঙ্গাইল কর্মরত আছেন। তিনি ঘুষ গ্রহন করে পরিত্যাক্ত ও ফিটনেস বিহীন গাড়ীগুলো ফিটনেস দিয়েছেন বড় অংকের ঘুষের টাকা গ্রহন করে। গাড়ী গুলোর নমুনা ও নাম্বার নিচে তুলে ধরা হলোঃ ঢাকা-মেট্রো-ট-১৫-৫৫২৭, ঢাকা-মেট্রো-ন-১২-৪৫৫৯, ঢাকা-মেট্রো-ট-১১-০১৬৪, ঢাকা-মেট্রো-ট-১১-০০৫৭, ঢাকা-মেট্রো-ন-১৮-৩৪৭৬, ঢাকা-মেট্রো-ব-১৫-৬৮৮৪, ঢাকা-মেট্রো-ব-১৪-৯১২০, ঢাকা-মেট্রো-ন-১১-০২৮৬, ঢাকা-মেট্রো-গ-১১-৬৪৮৬, ঢাকা-মেট্রো-ব-১২-১২৩১, ঢাকা-মেট্রো-ন-১১-৭৫৫৮, মায়মনসিংহ-ট-১১-০১৬৪, ঢাকা-মেট্রো-ট-১১-০৩৯৪, ঢাকা-মেট্রো-ট-১৬-৪৫১৭, ঢাকা-মেট্রো-ট-২২-৫৩৫০, ঢাকা-মেট্রো-ট-২২-৫৬৫৮, ঢাকা-মেট্রো-ট-২২-৭৩৩৮, ঢাকা-মেট্রো-৮-৫৬-১০৩৩, ঢাকা-মেট্রো-৮-২০-২৮২৯, ঢাকা-মেট্রো-খ-১৩-১২৩১, ঢাকা-মেট্রো-ন-১১-০১২৪, ঢাকা-মেট্রো-ন-১৮-৮৩৮২, ঢাকা-মেট্রো-ন-১৩-৫২৬৪, ঢাকা-মেট্রো-ন-১৫-১৪৬৯, ঢাকা-মেট্রো-ব-১৪-৯২৪১, ঢাকা-মেট্রো-চ-১৫-৫৭৮১, ঢাকা-মেট্রো-চ-২০-৪২৮৯, ঢাকা-মেট্রো-চ-১২-৭৪৩৫, ঢাকা-মেট্রো-চ-১১-৪৪৩৪, ঢাকা-মেট্রো-চ-১২-৩৬৫১, উপরোক্ত গাড়ীগুলো ঘুষের টাকা গ্রহন করে ফিটনেস প্রদান করেছেন। উপরোক্ত গাড়ীগুলো অধিকাংশ ফিটনেস বিহীন এবং পরিত্যাক্ত হওয়ায় এনামুল হক ইমন ঘুষের টাকা গ্রহন করে ফিটনেস প্রদান করেছেন। তার বিষয়ে কোন সাংবাদিক অনুসন্ধান করতে গেলে তিনি তার আপন নিকট আত্মীয় প্রথম শারির পত্রিকায় চাকুরী করেন বলেন তাদের নাম ভাঙ্গিয়ে সাংবাদিকদের অনুসন্ধান করতে বাধা প্রদান করেন। এছাড়াও সাংবাদিকরা যদি তার বিষয়ে সাংবাদিকরা অনুসন্ধান করতে চান তাহলে তিনি বিআরটিএ এর দালালদের মাধ্যমে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি ও হত্যার হুমকি দিয়ে তার অনুসন্ধান বন্ধ করার চেষ্টা করেন। এনামুল হক ইমন মূলত দালাল নির্ভর একজন কর্মকর্তা। তিনি বর্তমানে কয়েক কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের মালিকানা অর্জন করেছেণ এবং তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যগণ প্রত্যেকে কোটি কোটি টাকার মালিকানা বনে গেছেন। তার ঢাকা শহরে একাধিক ফ্ল্যাট ও বাড়ি ও গাড়ী রয়েছে। নিজ জেলা শহরে তার আলিশান বাড়ী রয়েছে। তার বিষয়ে সঠিকভাবে তদন্ত করলে আরো গুরুত্বপুণ তথ্য পাওয়া যাবে।
ডিআই/ এসকে