
সোহেল সরকার.ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি:.ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপি আয়োজিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের দাবির সমাবেশে বর্তমান সরকারের কাছে কোনো প্রত্যাশা নেই বলে মন্তব্য করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, কিছু ছাত্রনেতার কথায় মনে হয়, তারা আন্দোলনকে হাইজ্যাক করেছেন। দ্রব্যমূল্য ও আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে আনতে হলে জনগণের সমর্থিত, জনগণের কাছে দায়বদ্ধ, জনগণের কাছে জবাবদিহির ওয়েট আছে, এমন রাজনৈতিক সরকার দরকার।সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি)ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপি আয়োজিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের দাবির সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘নতুন বয়ান শুনছি, এই বয়ানে ১৬ বছরের কথা নেই, আন্দোলনের ৩৬ দিনে বিএনপির নেতাকর্মীদের অবদানের কথা নেই। কিছু ছাত্রনেতার কথায় মনে হয়, আন্দোলনটাকে তারা হাইজ্যাক করে নিয়ে গেছেন।
কিন্তু আমরা এ আন্দোলনকে হাইজ্যাক করতে চাই না। আমরা বলছি, এ আন্দোলনের সফলতা বাংলাদেশের মানুষের সফলতা।’
তিনি আরো বলেন, ‘নির্বাচন হচ্ছে গণতন্ত্রের বাহক। নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হলে আপনারা দেখবেন, সব কিছু ক্রমান্বয়ে সহিষ্ণু অবস্থায় ফিরে আসবে।
যেটা বিএনপির সময় দেখেছি। তবে আওয়ামী লীগের আমলে দেখিনি। কেননা শেখ হাসিনা নির্বাচিত ছিলেন না।’আমীর খসরু মাহমুদ বলেন, ‘জুলাই-আগস্টে ৩৬ দিনের আন্দোলনে সবচেয়ে বেশি ত্যাগ স্বীকার করেছেন বিএনপি নেতাকর্মীরা।
শেখ হাসিনার পতনের পেছনে আমরা সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করেছি।’নির্বাচনের জন্য দলীয় নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকতে বলে তিনি জানান, এরই মধ্যে দলের ৬০০ নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া, অর্থনীতিবিষয়ক সম্পাদক খালেদ হোসেন মাহমুদ শ্যামল, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক মিয়া, সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা, জেলা বিএনপির সদস্য কবীর আহমেদ ভূঁইয়া প্রমুখ।
সমাবেশে সঞ্চালনায় ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্যসচিব মোঃ সিরাজুল ইসলাম সিরাজ।আরো বক্তব্য দেন সায়েদুল হক সাঈদ, মো. তকদির হোসেন, হাফিজুর রহমান মোল্লা, মেহেদী হাসান পলাশ, মো. জয়নাল আবেদীন, আলমগীর মিয়া, শামিম মোল্লা, শাহিনুর রহমান শাহিন, দেলোয়ার হোসেন দিলিপ প্রমুখ।