
মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার গাওদিয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য মেহেদী হাসান খান বিদ্যুৎ কে অর্থ জালিয়াতি মামলার গ্রেফতারি পরোয়ানা ভুক্ত আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করেছে লৌহজং থানা পুলিশ।
ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য মেহেদী হাসান খান বিদ্যুতের বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বোন জামাই আওয়ামী লীগ কর্মী হওয়ার সুবাদে তার আশ্রয়ে লৌহজংয়ের মালির অংক বাজারে অটোরিকশা পার্সের ব্যবসা শুরু করে। ব্যবসা চলাকালীন অবস্থায় জনৈক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সাথে ব্যবসায়িক লেনদেন করার জন্য ৪,৫০,০০০ টাকার একটি চেক প্রদান করে। প্রতারণার উদ্দেশ্যে ব্যাংকে পর্যন্ত টাকা না রাখলে ডিজঅনার হয়। পরবর্তীতে টাকা নিয়ে টালবাহানা করলে ওই ব্যক্তি আদালতের শরণাপন্ন হয়ে বিদ্যুতের বিরুদ্ধে মামলা করে। মামলা হওয়ার পরে বিদ্যুৎ ব্যবসা বন্ধ করে গাঢাকা দেয়। পরবর্তীতে আদালতে আত্ম সমর্পণ করে জামিন নেয়।
ততদিনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে নতুন রূপে আবির্ভাব হয় মেহেদি হাসান খান বিদ্যুতের। নিজস্ব ক্ষমতার বলে আদালতে হাজিরা দেওয়া বন্ধ করে দেয়। বিধি বাম, আইন তার নিজস্ব গতিতে চলে। হাজিরা না দেওয়ায় বিদ্যুৎ হয়ে যায় গ্রেপ্তারী পরোয়ানা ভুক্ত পলাতক আসামি।
নাম প্রকাশ না করা সত্ত্বে একাধিক গ্রামবাসী বলেন রাজনৈতিক দলের ব্যানারে এ ধরনের কর্মকাণ্ড দলকে হেও প্রতিপন্ন করছে। এমন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দলীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
এ বিষয়ে লৌহজং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন অর রশিদ বলেন, গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি হওয়াতে শনিবার দিন বিকেলে তাকে গ্রেফতার করে রবিবার মুন্সিগঞ্জ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।