
লক্ষ্মীপুরে গনজমায়েত অনুষ্ঠানটি জন সমুদ্র রুপ নেয়। অনুষ্ঠানে প্রায় দুই লক্ষ জনতার উপস্থিত লক্ষ করা যায়। এসময়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যকালে আমীরে জামায়াত ড.শফিকুর রহমান বলেন, আমরা যুবকদের হাতে দেশকে তুলে দিতে চাই- যুবকরাই আগামীর সুন্দর সমাজ বিনির্মানে অগ্রনী ভূমিকা রাখবে।
এছাড়াও তিনি আরও বলেন, আওয়ামীলীগ বিগত ১৫ বছরে সোনার বাংলাদেশকে শশ্মানে পরিনত করেছিলো। আমরা কোরআন দিয়ে সোনার বাংলা গরবো। যতদিন তারা ক্ষমতায় থাকে ততদিন তারা বনের রাজা আর যখন ক্ষমতা হারায় তখন তারা গর্তের ইঁদুর। বিগত ১৫ টি বছর ফ্যাসিস্ট সরকারের সাজানো কারাগারে বন্দী থেকে শত নির্যাতন নিপিড়নের পরেও দেশ স্বাধীন হলো ছয়মাস পার হলেও এখনো কেন সাবেক সহকারী জেনারেল এটি এম আজহারুল ইসলামকে মুক্তি দেওয়া হয়নি? অনতিবিলম্বে মুক্তি না দিলে আমিও প্রশাসনের লোকদেরকে বলবো আমাকেও জেলে ঢুকিয়ে দিতে। আমরা তিনকোঠি জনতা জেলে যেতে প্রস্তুত। ”
এসময়ে নেতারা আরও বলেন, ” আওয়ামীলীগ যখনই ক্ষমতায় যায় তখনই তারা ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে, চাঁদাবাজ, লুটপাট, টেন্ডার বাজি করে। আওয়ামীলীগকে আর কখনো ক্ষমতায় আসতে দেওয়া যাবে না।” আওয়ামীলীগের মতো যারাই অপশাসন শুরু করবে তাদের অবস্থাও আওয়ামীলীগের মতোই হবে। ”
এসময়ে উপস্থিত বক্তব্যকালে সনাতন ধর্মাবলম্বী এড প্রিয় নাথ লাল বলেন, ” জামায়াতের কাছেই এই রাষ্ট্র নিরাপদ। কারণ বিদায় হজ্জের ভাষণে মহা নবীর কথা থেকে স্পষ্ট হয় যে ইসলামই একমাত্র শান্তির ধর্ম এবং সকল ধর্মেরই স্বাধীনতা রয়েছে। কোন ধর্ম নিয়ে বারাবাড়ি করতে মহা নবী (সাঃ) নিষেধ করেছেন। তাই আমরা বলতে পারি জামায়াত ইসলাম একটি ইসলামিক দল। তারা ক্ষমতায় আসলে অন্য সকল ধর্মের মানুষই নিরাপদ। জামায়াতে ইসলামীর কাছে এই দেশ নিরাপদ। ”
২২ ফেব্রুয়ারী (শনিবার) সকাল দশটাশ লক্ষ্মীপুর আদর্শ সামাদ স্কুল মাঠে গণজমায়েত অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
এসময়ে সভাপতি হিসেবে উপস্থিত বক্তব্য রাখেন, লক্ষ্মীপুর ২ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মাস্টার রুহুল আমীন ভুঁইয়া, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মাওলানা এটি এম মাসুম ( সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী), কাজী দ্বীন মোহাম্মদ ( কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও আমীর, কুমিল্লা মহানগরী), শাহজাহান চৌধুরী ( সাবেক সংসদ ও প্যানেল স্পীকার।কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও আমীর চট্টগ্রাম মহানগরী) , ড মুহাম্মদ রেজাউল করিম ( কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সেক্রেটারি ঢাকা মহানগরী উত্তর), এডভোকেট আতিকুর রহমান ( কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্ল্যান ফেডারেশন), ডাঃ আনোয়ারুল আযিম ( সভাপতি, ঢাকাস্থ লক্ষ্মীপুর ফোরাম, লক্ষ্মীপুর শহর শিবির সভাপতি মাওলানা ফরিদ উদ্দিন, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আরমান হোসেন, লক্ষ্মীপুর শহর জামায়াতের আমীর এডভোকেট আব্দুল ফরহান নিশান, সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্র কল্ল্যাণ সম্পাদক (IBBS) আবদুল আল মামুন। ডাক্তার হাসান আল বান্না ( শহীদ, ডাক্তার ফয়েজ আহমেদ এর ছেলে), অধ্যক্ষ মাওলানা সাইয়েদ আহমেদ ( নোয়াখালী জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর), এ আর হাফিজুললাহ ( লক্ষ্মীপুর জেলা নায়েবে আমীর), এডভোকেট হাসিবুর রহমান ( লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক), এড প্রিয় নাথ লাল ( সনাতন ধর্মাবলম্বী), মুফতি আবদুল হান্নান ( ফেনী জেলা জামায়াতের আমীর), এড নজির আহমেদ ( লক্ষ্মীপুর জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর), আলাউদ্দিন ( বৃহত্তম নোয়াখালী জপলার সাবেক ছাত্র শিবির সভাপতি), অধ্যাপক লিয়াকত আলী ভূইয়া), লক্ষ্মীপুরের বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত প্রায় দুই লক্ষাধিক জনতা ও সাংবাদিক বৃন্দ। ”