
কুকুর -বিড়াল কামড় বা আঁচড় দিলে এর প্রতিরোধের জন্য অবশ্যই ভ্যাকসিন দিতে হয়। কিন্তু অসহায়, দুস্ত ও হত দরিদ্ররা
পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পায়না এ ভ্যাকসিন টি। জলাতঙ্ক রোগের জন্য বর্তমানে র্যাবিপুর টিকা দেয়া হয় ( কোম্পানী ভেদে আরো কিছু নামে পাওয়া যায়)। ২১ ফেব্রুয়ারী শুক্রবার বিকালে এ প্রতিবেদক উক্ত হাসপাতালের জরুরী বিভাগে গিয়ে এ টিকা / ভ্যাকসিন খোঁজ করলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্রাদার সাফ জানিয়ে দেয় ভ্যাকসিন সরবরাহ নেই। সুত্রে জানা গেছে , উক্ত ভ্যাকসিন বাহির থেকে নিজেদের টাকায় কিনে রুগীদের শরীরে পুশ করতে হয়। এ ভ্যাকসিনের এক এক টি ডোজের দাম ৫০০ শত টাকা করে। যা কারো ৫ ডোজ থেকে ৬ ডোজ দিতে হয়। এতে ২৫০০ শত টাকা থেকে ৩০০০ হাজার টাকা পর্যন্ত একএকজন রোগীর খরচ হয়।সুত্রে আরও জানা গেছে, দুঃস্হ, অসহায় ও হত দরিদ্র রোগী ৪ জন হলে ১২৫ টাকা করে দিয়ে ৫০০ শত টাকা মিলিয়ে তারা ভ্যাকসিন দিতে পারে বলে জানা যায়। এ ভ্যাকসিন ছাড়াও অন্যান্য ঔষধ রোগীদের বাহির থেকে দীর্ঘ বছর ধরে কিনতে হচ্ছে। এ যেন দেখার কেউ নেই। এ বিষয় জানতে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এর সহকারী পরিচালক ও তত্ত্বাবধায়ক ( ভারপ্রাপ্ত) ডাঃ দিলরুবা ইয়াসমিন লিজা’র মুঠোফোনে কয়েক বার কল দিলেও প্রতিবারই তার ফোন কল ব্যাস্ত পাওয়া যায়। এ জন্য তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।