
পাঠ্যবই থেকে ফ্যাসিস্ট সরকার জিয়াউর রহমানের নাম মুছে ফেলতে ষড়যন্ত্র করেছিল
চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক এনামুল হক এনাম বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঘোষণার মধ্য দিয়ে এ দেশ স্বাধীন হয়েছিল তিনি রাষ্ট্রের দায়িত্ব নিয়ে বাকশালে দেশের হারানো গণতন্ত্র ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। তাঁর বিলিষ্ট নেতৃত্বেই স্বনির্ভর বাংলাদেশ বির্নিমান হয়েছিল। কিন্তু গত সতের বছরে ফ্যাসিস্ট সরকার ইতিহাস বিকৃত করেছে। শহীদ জিয়ার অর্জনকে মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল। চেষ্টা করেও বাংলাদেশের মানুষের হৃদয় থেকে শহীদ জিয়ার নামকে মুছে ফেলতে পারেনি।
তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ জিয়াউর রহমানের নাম মুছে ফেলার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে, উল্টো তাদের নেতা ও দলের নাম জনগণ মুছে দিয়েছে। জিয়াউর রহমানের নাম বাংলাদেশের মানুষের অন্তরে আছে, মোছা যাবে না। পাঠ্যবই থেকেও ইতিহাস বিকৃত করেছে ফ্যাসিস্ট খুনি হাসিনার সরকার। আজ তাদের নাম স্মৃতি চিহ্ন বাংলাদেশের কোথাও নেই।
বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পটিয়া কৈয়গ্রাম এস এ নুর উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে আয়োজিত ‘এসো আলোর পথে’ মেধা বিকাশ সহায়তা মুলক অনুষ্ঠানে তিন শতাধিক শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
এনাম বলেন, জাতির ভবিষ্যৎ ধ্বংস করে শেখ হাসিনা পালিয়ে গেছে। শিশু, কিশোর, তরুণ কাউকে রেহাই দেয়নি ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার সরকার। জুলাই বিপ্লবের গনঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশকে মুক্ত বাতাস উপহার দিয়ে গেছেন অসংখ্য শহীদ ভাইয়েরা।
কৈয়গ্রাম এস এ নুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুর মোহাম্মদের সভাপতিত্বে ও সিনিয়র শিক্ষিকা ইশরাত জাহানের সঞ্চালনায় শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে উদ্ধোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পটিয়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জিরি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইব্রাহীম সওদাগর, সাইদাঁইর মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ডা. কে এম বোরহান উদ্দিন, মালিয়ারা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অঞ্জন চৌধুরী, খলিল মীর আর্দশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খুরশিদ আলম, কৈয়গ্রাম মাদ্রাসার সুপারিন্টেন্ডেন্ট মাওলানা আহমদ কবির রেজভী, জিরি আমানিয়া স্কুলের প্রধান শিক্ষক মহিম উদ্দিন, সমাজসেবক আবদুল আলীম, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক এস এম নয়ন প্রমুখ।