
আমতলী(বরগুনা)প্রতিনিধিঃ পবিত্র লাইলাতুল শবে বরাত নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অশ্লীল মন্তব্য করে বিতর্কের সৃষ্টি করেছেন এক যুবক। ফেসবুকে পোস্ট করে স্থানীয় মুসুল্লিদের তোপের মুখে পড়ে পোস্ট ডিলিট করছে। শবে বরাত নিয়ে কটুক্তি করায় ধর্মপ্রাণ মুসলি-দের মধ্যে উঠেছে সর্বত্র নিন্দার ঝড়। এমন ঘটনার সৃষ্টি করাঐ যুবকের বাড়ি আমতলী পৌরসভায় কটুক্তিকারী যুবকের নাম রাসেল (৪০)। সে আমতলী পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের মো. শানু রাজমিস্ত্রীর ছেলে। মো. রাসেল তিনিও পেশায় একজন রাজমিস্ত্রী। তবে তার ফেসবুক ঘটে দেখা যায় তিনি একজন আহলে হাদিস মতাদর্শী। শবে বরাত নিয়ে তার মতাদর্শীদের পক্ষ এর আগেও অনেক পোস্ট শেয়ার করেছেন।ফেইসবুক পোস্টে দেখা যায় গফ জধংবষ অসঃধষর (আস সালাফি) নামে প্রোফাইল থেকে পবিত্র শবে বরাত নিয়ে লিখেছেন কুকুর পালা যেমন নাজায়েজ তেমনি শবে বরাত পালন করাও নাজায়েজ এমন ঘটনা ফেসবুক জুড়ে প্রতিবাদ ও নিন্দা অব্যাহত রয়েছে। পোস্টটির বিরুদ্ধে বহু মানুষ প্রতিবাদ জানিয়ে লিখেছেন, এই নাস্তিকের বিচার আমতলীর জনগন করবে ইনশাল্লাহ। এনিয়ে এক ভিডিওতে দেখা যায়, কটুক্তি করে রাসেল নামে ঐ যুবক আমতলী বাধঘাটে আজ শনিবার ১৫ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে দশটার সময় বাজার এলাকায় আসলে মসজিদ মুসুল্লিদের তোপের মুখে পড়ে।কটুক্তিকারী তোপের মুখে পড়ে মুসুল্লিদের উদ্দেশ্যে বলে, ইউএনও অফিসে ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনে আমাকে নিয়ে চল, আমার ভুল হলে আমি শাস্তি মেনে নেব। এরপর ঐ যুবক অবস্থা ক্রমশ খারাপ দেখে ঘটনাস্হল থেকে সটকে পড়ে।পরবর্তীতে ভুল স্বীকার করে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, প্রচলিত নিয়মে শবে বরাত পালন রাসুল (স.), সাহাবা ও তাবে তাবেয়ীনগন কখনোই করেন নি। তাই ইহা সুস্পষ্ট বিদায়াত।
এব্যাপারে লিখতে গিয়ে পূর্বের স্ট্যাটাসে আমার ভাষাগত ত্রুটি হওয়ায় , আমি আন্তরিক ভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।এ বিষয়ে আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আশরাফুল আলম বলেন, এটা আমি দেখেছি আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কটুক্তিকারীকে গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলছে।এ বিষয়ে আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি জেনেছি তার বিরুদ্ধে আইনগত
ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তাকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশি অভিযান চলছে। ধর্মপ্রাপন মোসলমানরা কটুক্তিকারী রাসেলের দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবী জানিয়েছেন।