
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে মাদক,
মোটরসাইকেল সহ বিজয়নগরের দুই মাদককারবারীকে গ্রেফতার করেছে আশুগঞ্জ থানা পুলিশ।
শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারী) আশুগঞ্জ বিদ্যুৎ বিতরন ও বিক্রয় কেন্দ্রের সামনে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বিল্লাল মিয়ার চায়ের দোকানের সামনে থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।
আশুগঞ্জ থানার প্রেস বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়,
আশুগঞ্জে মাদক বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে শুক্রবার রাত সাড়ে আটটায় আশুগঞ্জ গোলচক্কর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় দুজন মাদককারবারীকে আটক করে অভিযানকারী দল। পরে আটককৃতদের দেহ তল্লাশি করে ৩৫০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট ও তাদের সাথে থাকা মাদকবহনকারী ০১টি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন বিজয়নগর উপজেলার
মাধবের বাগ এলাকার মৃত সুরুজ মিয়ার ছেলে আনোয়ার হোসেন(৩৮) ও অপরজন হলেন একই উপজেলার খাটিংঙ্গা গ্রামের ২নং ওয়ার্ডের তাজুল ইসলামের ছেলে রফিকুল ইসলাম(৪২)।
তন্মধ্যে রফিকুল বিজয়নগর উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব।
অভিযান পরিচালনায় সঙ্গীয় ফোর্সসহ নেতৃত্ব দেন আশুগঞ্জ থানর অফিসার ইনচার্জ মোঃ বিল্লাল হোসেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন আশুগঞ্জ থানার এসআই (নিরস্ত্র) মোঃ ইসাহাক মিয়া ও থানার অন্যান্য পুলিশ সদস্যবৃন্দ।
উল্লেখ্য যে, গ্রেফতারকৃত আসামি রফিকুল ইসলাম মাদক ব্যবসায়ীদের একজন হোতা বলে সুত্রে জানা যায়। সে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই জানান। আশুগঞ্জ থানায় আটককৃত জব্দ তালিকায় যে পরিমান ইয়াবা দেখানো হয়েছে তা সঠিক নয় বলে লোকমুখে গুঞ্জন উঠেছে। প্রকৃতপক্ষে আরো বেশী পরিমান মাদক ছিল বলে এলাকাবাসী ধারনা করছেন। যা কিনা কৌশলে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে আশুগঞ্জ উপজেলার একজন জানান, গত শুক্রবার দুই মাদক ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার ইয়াবাবড়িসহ আটক করা হয়। পরে বিষয়টি রফাদফা করে ৩৫০টি ইয়াবাবড়ি দিয়ে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পুলিশের এক সোর্স পাখি জসিম ও বিজয়নগরের আরেক মাদক ব্যবসায়ীর মাধ্যমে বাকি ইয়াবাবড়িগুলো কিশোরগঞ্জের ভৈরবের জীবন মিয়া নামে আরেক মাদক ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করা হয়েছে।
। এ বিষয়ে আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিল্লাল হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, অভিযান চালিয়ে ইয়াবাবড়িসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।