
দেশের বাণিজ্যিক ফুল চাষের জনক শের আলী সরদার ইন্তেকাল করিয়াছেন ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। বুধবার (১২ই ফেব্রুয়ারী) ভোরে পানিসারা গ্রামের নিজ বাড়িতে মারা যান। মৃত্যুর সময় তার বয়স হয়েছিলো ৭৮ বছর। ব্রেইন স্ট্রোক করে দীর্ঘদিন তিনি শয্যাসায়ী ছিলেন।
বুধবার বাদ যোহর শের আলীর বাড়ি সংলগ্ন হিমাগারের সামনে প্রথম জানাজা এবং বাদ আসর গদখালি ফুল বাজারে দ্বিতীয় জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হবে।
শের আলী সরদারের হাত ধরে ১৯৮২ সালে বাংলাদেশে যাত্রা শুরু হয় বাণিজ্যিক ফুল চাষের। তার দেখানো পথ ধরেই এখন শুধু যশোরে ফুল চাষের ওপর নির্ভরশীল প্রায় ছয় হাজারের বেশি মানুষ। পানিসারা গ্রামের মৃত রহমান সরদারের ছেলে শের আলী সরদার ১৯৫০ সালে পানিসারায় জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি কুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। তিনি দুই স্ত্রী, ৪ পুত্র ও ৩ কন্যাসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
এদিকে ফুলচাষের প্রসারে ৫ দশকেরও বেশি সময় ধরে নীরবে কাজ করে চলা শের আলী সরদারের মেলেনি রাষ্ট্রীয় কোনো স্বীকৃতি। জীবদ্দশায় তাকে জাতীয় পদক প্রদানের দাবি পূরণ না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শের আলীর স্বজন ও স্থানীয় ফুল চাষীরা।
স্থানীয় ফুলচাষী ও ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেন বলেন, দেশের কৃষি ও অর্থনীতিতে বিপ্লব সৃষ্টিকারী ছিলেন শের আলী সরদার। কিন্তু তার সেই অবদানের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি না মেলাটা খুবই দুঃখজনক।