
রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার ১০ নং মাড়িয়া ইউনিযয় পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল হক ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। রবিবার বিকেলে হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রাত ৩ টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৫ বছর।
মরহুম চেয়ারম্যান রেজাউল হক মাড়িয়া ইউনিয়নের সাঁকোয়া শিকদারী গ্রামের মৃত ইমারতুল্লাহর ছেলে। সেই সাথে বাগমারা আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হকের ছোট ভাই।
মৃত্যুকালে স্ত্রী, ছেলে-মেয়ে, পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-স্বজন সহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। মরহুম রেজাউল হক প্রথমবারের মতো বিপুল ভোটে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে মাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। রেজাউল হকের মৃত্যুতে পরিষদ হারালো অভিভাবক।
চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষকে সাথে নিয়ে পরিষদের কার্যক্রম পরিচালিত করে আসছিলেন। দলমত ভুলে তিনি সকলের কল্যাণে কাজ করে গেছেন। চেয়ারম্যান রেজাউল হকের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে ইউনিয়ন জুড়ে।
সোমবার বিকেল সাড়ে ৪ টায় শিকদারীস্থ সালেহা-ইমারত গার্লস একাডেমি প্রাঙ্গনে মরহুম চেয়ারম্যান রেজাউল হকের জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। মরহুমের জানাযায় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুবুল ইসলাম, ভবানীগঞ্জ ক্লিনিকের পরিচালক ডাঃ আব্দুল বারী, সাবেক চেয়ারম্যান আসলাম আলী আসকান, রেজাউল করিম বাচ্চু, ইসমাইল হোসেন, আব্দুল মজিদ সহ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য, পরিবারের সদস্য, আত্মীস্বজন ও বিভিন্ন এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসল্লীগণ। জানাযা শেষে পারিবারিক গোরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।