
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হাতে আটক চার পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা থাকায় রবিবার তাদেরকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এর মধ্যে ডিআইজি মোল্যা নজরুল ইসলামকে গুলশান থানায়,পুলিশ সুপার (এসপি) আবুল হাসনাত খানকে বাগেরহাট,মো.আসাদুজ্জামানকে নোয়াখালী এবং আব্দুল মান্নানকে সিলেট জেলা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এর আগে শুক্র ও শনিবার পৃথক অভিযানে আটক করে তাদের ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) কার্যালয়ে নেওয়া হয়।
এদিকে ৫ আগস্ট আওয়ামী সরকার পতনের পর মোল্যা নজরুলের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত চারটি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। এছাড়া আটক তিন পুলিশ সুপারের বিরুদ্ধে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হস্তক্ষেপ ও ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনের অভিযোগ রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোতে মামলা আছে।
ডিএমপি সূত্রে জানা গেছে,চার পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি অপরাধের মামলা থাকায় সংশ্লিষ্ট পুলিশের পক্ষ থেকে ডিবিকে আটকের অনুরোধ করা হয়। এরপরই তাদেরকে আটক করে ডিবি। তাদেরকে ওই সব থানায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
এদিকে মোল্যা নজরুল ইসলামকে ২০২৩ সালের ৩১ মে জিএমপি থেকে সরিয়ে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) ডিআইজি করা হয়। এরপর তিনি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) বদলি হন। সর্বশেষ মোল্যা নজরুল ইসলামকে সিআইডি থেকে সরিয়ে রাজশাহীর সারদা পুলিশ একাডেমিতে সংযুক্ত করা হয়েছিল। মোল্যা নজরুল বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের ২০তম ব্যাচের কর্মকর্তা।
আর পুলিশ সুপার মো.আসাদুজ্জামান নীলফামারীর ইন সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট ছিলেন। তার আগে তিনি নোয়াখালীর এসপির দায়িত্ব পালন করেন। কথিত আছে সিটিটিসিতে থাকা অবস্থায় একাধিক জঙ্গি নাটক সাজানোর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তিনি বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের ২৭তম ব্যাচের কর্মকর্তা।
অন্যদিকে আব্দুল মান্নান সিলেট ছাড়াও কুমিল্লার পুলিশ সুপার ছিলেন। জেলা পুলিশে কর্মরত অবস্থায় তার বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমন এবং নির্বাচনে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ আছে।
একই অভিযোগ রয়েছে বাগেরহাটের সাবেক পুলিশ সুপার আবুল হাসনাত খানের বিরুদ্ধে। এই দুই কর্মকর্তা বিসিএস ২৫ ব্যাচে পুলিশে কর্মজীবন শুরু করেন।
ডিআই/এসকে