
কুয়াকাটার সাংবাদিক মো. জহিরুল ইসলাম মিরন এর ওপর হামলার প্রতিবাদে পটুয়াখালী প্রেসক্লাব’র আয়োজনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। জানা গেছে, ৮ ফেব্রুয়ারি শনিবার বেলা ১২টায় পটুয়াখালী প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধনে বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী, সামাজিক সংগঠন ও রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দরা অংশ গ্রহণ করেন।
উক্ত মানববন্ধনে এসময় সভাপতিত্ব করেন পটুয়াখালী প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মো. জাকির হোসেন ও সঞ্চালনায় ছিলেন এ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মো. গোলাম রহমান।
এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির পটুয়াখালী পৌর শাখার সভাপতি মোঃ কামাল হোসেন, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাড. এটিএম মোজাম্মেল হক তপন,জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের পটুয়াখালী শাখার সাধারন সম্পাদক অ্যাড. শরীফ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, পাবলিক প্রসিকিউটির (পিপি) অ্যাড. মজিবুর রহমান টোটোন।
পটুয়াখালী (বি.এন.এস.বি) চক্ষু হাসপাতালের সাধারন সম্পাদক মনিরুল ইসলাম লিটন, জেলা বাসও মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি মোঃ বসির মৃধা, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার ইমাম হোসেন নাসির, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি, মশিউর রহমান মিলন, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি গাজী আসফাকুর রহমান বিপ্লব, পটুয়াখালী প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি কাজল বরন দাস ও সাবেক (ভারপ্রাপ্ত) সভাপতি সোহরাব হোসেন।
বক্তারা তাদের বক্তব্য বলেন, সাংবাদিক জহিরুল ইসলাম মিরনের ওপর হামলাটি পরিকল্পিত এবং এটি গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত। অবিলম্বে হামলাকারীদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তারা।
প্রসঙ্গত: ৪ ফেব্রুয়ারি মঙ্গল বার রাত সাড়ে ১২টার দিকে কুয়াকাটার তুলাতলী এলাকায় নিজ বাসভবনের সামনে দুর্বৃত্তরা জহিরুল ইসলাম মিরনকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়। তার দুই হাত, মাথা ও বুকে ছুরিকাঘাত করা হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয় এবং সফল অস্ত্রপাচার হয়েছে।
এ ঘটনায় মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম জানান, ঘটনাটি তদন্ত চলছে। দ্রুত হামলাকারীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানান।