ঢাকা, শনিবার, ৫ই এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
কালিগঞ্জের বিষ্ণুপুরে কৃষকদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলন ও সাংস্কৃতি সন্ধ্যা 
নওগাঁয় মাটিবাহি ট্রাক্টরের চাকায় পিষ্ট হয়ে মাদ্রাসা পড়ুয়া শিশুর মৃত্যু
ভূরুঙ্গামারী ফাযিল মাদ্রাসার প্রাক্তন ছাত্রদের ঈদ পূর্ণমিলনী
কুয়াকাটা সৈকত দখল করে ঝুকিপূর্ণ মার্কেট নির্মানের অভিযোগ
কুড়িগ্রামে ২৪ পরবর্তী নতুন বাংলাদেশে কেমন কুড়িগ্রাম দেখতে চাই শীর্ষক মতবিনিময় সভা
বোদায় ট্রাক-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু
সরাইলে অভিযানে ৩ হত্যা মামলার আসামীসহ গ্রেফতার ৯
বাগমারায় চুরিকাঘাতে যুবকের মৃত্যু:ঘাতকে পিটিয়ে হত্যা করলো উত্তেজিত জনতা
নড়াইলে বিএনপি নেতা সান্টুর উপর ককটেল হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ
লাখো পর্যটকের সমাগম কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে। শতভাগ হোটেল মোটেল বুকিং
আমতলীতে কুপিয়ে স্ত্রীর হাত কর্তন করলেন নেশাগ্রস্থ স্বামী
হোমনায় যুবকের ক্ষত বিক্ষত লাশ উদ্ধার
এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাল শিক্ষা বোর্ড
শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনা প্রসঙ্গে মোদির সঙ্গে কথা বললেন ড. ইউনূস
প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার

নারায়নগঞ্জে পরকীয়ার জেরে স্বামীকে হত্যা, ৭ বছর পর প্রধান আসামি গ্রেফতার

শৌখিন মিয়া, রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি :

নারায়নগঞ্জের চাঞ্চল্যকর পরকীয়ার জেরে স্বামীকে হত্যা মামলার প্রধান আসামী ৭ বছর ধরে পলাতক থাকার পর গাজিপুর জেলা থেকে গ্রেফতার করেছে কুড়িগ্রামের রৌমারী থানা পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৭ অক্টোবর) সকালে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার চরশৌলমারী ইউনিয়নের মিয়ার চর গ্রামের বাসিন্দা আসকর আলীকে ২০১৬ সালে নারায়নগঞ্জের ফতুল্লা এলাকায় তার স্ত্রী ফিরোজা বেগম এবং তার পরকীয়া প্রেমিক আনোয়ার হোসেন ও তার সহযোগী বন্ধুরা মিলে খুন করে পালিয়ে যায়।

মামলা হওয়ার পর থেকে অর্থাৎ দীর্ঘ ৭ বছর পলাতক থাকা আসামী ভিকটিমের স্ত্রীর পরকীয়া প্রেমিক কুড়িগ্রামের রৌমারীর সুখেরবাতী গ্রামের মোঃ আনোয়ার হোসেন (৩৫)’কে গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থানার সিনাবর খন্দকার পাড়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করে রৌমারী থানা পুলিশের একটি চৌকস টিম। সেসময় ফতুল্লা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহতের পরিবার। সেই মামলার ওয়ারেন্টমুলে দীর্ঘ ৭ বছর পর প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের মিডিয়া মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ রুহুল আমীন বলেন, অপরাধী যতই চতুরতা অবলম্বন করুক না কেনো একদিন না একদিন তাকে আইনের আওতায় আসতেই হবে।
উক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্ট রৌমারী থানায় আসার পর থেকে রৌমারী থানার একটি চৌকস টিম বিভিন্নভাবে তথ্য সংগ্রহ করে আসামীর অবস্হান নিশ্চিত করে গাজিপুর থেকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। নিরাপদ কুড়িগ্রামের লক্ষ্যে আমাদের এই অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যহত থাকবে। আমরা সকলের সম্মিলিত সহযোগিতা কামনা করি।

শেয়ার করুনঃ