
রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও আদাবর থানা এলাকায় চলমান ছিনতাই-বিরোধী বিশেষ অভিযানে ছুরি,চাপাতি ও সামুরাই সহ দেশীয় অস্ত্রসহ ১০ জনকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-২)।
শনিবার (২৫ জানুয়ারি) র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-২) এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার খান আসিফ তপু এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
গ্রেফতারকৃতরা হলো,আদাবর থানার দস্যুতা মামলার প্রধান আসামি মো.মেহেদী ওরফে ছিনতাইকারী মেহেদী (২৮),মো.মাইনুদ্দিন (২২),মো.শরীফ ওরফে মোহন (৩০),মো.মইন আলী (২০),অপরাজিত আহমেদ অমিত (২২),মো.মাসুম (৩৪),মো.চনু মিয়া (২৮),মো. শাহিন (২৭), মো.ইব্রাহিম খলিল (২২) এবং আকাশ (১৯)।
এ সময় গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে দেশীয় অস্ত্র ২টি সামুরা, ১টি চাপাতি,৩টি চাকু ও ৪টি ফোল্ডিং চাকু উদ্ধার করা হয়।
খান আসিফ তপু বলেন,গতকাল শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর মোহাম্মাদপুর ও আদাবর থানা এলাকায় ছিনতাই বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে আদাবর থানার দস্যুতা মামলার প্রধান আসামি মো.মেহেদী ওরফে ছিনতাইকারী মেহেদী সহ ১০ জন ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার করেছে।
র্যাব-২ গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারে সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও আদাবর এলাকার বিভিন্ন স্থানে ছিনতাই এর উদ্দেশ্যে দেশীয় অস্ত্রসহ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। এরই ধারাবাহিকতায়,প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে উক্ত স্থান গুলোতে র্যাব-২ এর একাধিক আভিযানিক দল অভিযান পরিচালনা করে মোহাম্মপুর ও আদাবর হতে ১জন দস্যুতা মামলার আসামিসহ ১০ জন ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকালে ছিনতাইকারী মো.মেহেদীকে জিজ্ঞাসাবাদে জানায়,সে মো.সোহেল ওরফে মাউরা সোহেলের অন্যতম সহযোগী। তার বিরুদ্ধে রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও আদাবর থানায় একাধিক দস্যুতা মামলা রয়েছে। মেহেদী চাঁদাবাজি,ডাকাতি,মাদক ব্যবসা ও ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িত। এছাড়া,গ্রেফতারকৃত অন্যান্য ছিনতাইকারীরাও রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পথচারীদেরকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে ভয়-ভীতি দেখিয়ে নগদ টাকা-পয়সা,স্বর্ণালঙ্কার,মুঠোফোনসহ মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনতাইয়ের সাথে জড়িত বলেও জানান তিনি।
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও আদাবর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান এই কর্মকর্তা।
ডিআই/এসকে