
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে পৈত্রিক জমি দখলের পায়তারা ও বাগানের ৭৩ টি বিভিন্ন প্রজাতির ছোট-বড় গাছ কর্তনের অভিযোগ উঠেছে এলাকার প্রভাবশালী একটি চক্রের বিরুদ্ধে।ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বেতকাপা ইউনিয়নের রওশনবাগ কৃষ্ণপুর গ্রামে। এ ঘটনায় রোববার (২০ জানুয়ারি) রাতে পলাশবাড়ী থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন বাদী নুর আলম মণ্ডল।নুর আলম মণ্ডল ওই গ্রামের মৃত আবুল কালাম মন্ডলের ছেলে।
মামলার বিবাদীরা হলেন,ওই গ্রামের মৃত কাফি মন্ডলের মেয়ে স্থানীয় দক্ষিন কৃষ্ণপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোছাঃ ফারজানা আক্তার সাথী, একই মৃত কাফি মন্ডলের ছেলে আশরাফ মন্ডল, মৃত মজি মন্ডলের ছেলে আঃ হালিম মন্ডল।
বাদি তার অভিযোগে উল্লেখ করেন, বিবাদীদের সঙ্গে তাদের জমা-জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। বাদী তার পৈত্রিক ৭ শতক জমিতে বিভিন্ন প্রজাতির ৭১ টি গাছ রোপন করত: ভোগ দখল করিয়া আসছে। যাহা দক্ষিণ কৃষ্ণপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে অবস্থিত। বিদ্যালয়ের অপর পাশে বাদীর আরো ৪ শতক জমি রয়েছে। উক্ত জমিতে কোন আলোচনা-অনুমতি ছাড়াই কৌশলে ওয়াশ ব্লক (বাথরুম) নির্মাণের উদ্যোগ নেন প্রধান শিক্ষক ও তার সহযোগিরা। এতে বাদী বাধা দিয়ে আসছিলেন।
একপর্যায়ে বিবাদীরা পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী গত শনিবার (১৯ জানুৃয়ারী) ভাড়াটিয়া লোকজন নিয়ে তাদের বাড়িতে ভোঁজের আয়োজন শেষে দেশীয় অস্ত্রহাতে বিবাদীকে না পাইয়া তার বাগানের ৭১টি গাছ কেটে ফেলেন। বিবাদীর মা বাঁধা দিলে তার পায়ে আঘাত করেন হামলাকারীরা।
বিবাদী ব্যক্তিগত কাজ শেষে বাড়ি ফিরে গাছ কাটার কারণ জিজ্ঞাসা করলে বিবাদীরা নানারকম হুমকি প্রদান করে বলেন, তোর কি করার আছে কর।
এ ব্যাপারে পলাশবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ জুলফিকার আলী ভুট্টু বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তসাপেক্ষে বিবাদীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।