
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন-
বিএনপি একটি গনতান্ত্রিক দল, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা মরহুম শহীদ রাস্ট্রপতি জিয়াউর রহমান একদলীয় বাকশাল থেকে বহুদলীয় গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন। গনতন্ত্র ও গনতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন চলবে, যতোদিনে সুষ্ঠু ও গ্রহনযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে গনতান্ত্রিক নির্বাচিত সরকার পরিচালনা না হবে ততোদিন বিএনপির নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নেতৃত্বে গনতান্ত্রিক সরকারের জন্য আন্দোলন চলবে। একদিনও আমাদের আন্দোলন বন্ধ থাকবে না- এ কথা গুলো বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু। তিনি ১৮ জানুয়ারী শনিবার বিকালে পটুয়াখালীর পুরাতন আদালত মাঠে জেলা বিএনপি আয়োজিত জেলা বিএনপিসহ সকল অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দের সাথে কর্মী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। কেন্দ্রীয় বিএনপির এ নেতা এসময় আরও বলেন, অনেকে মনে করেন এক মাস বা দেড় মাসের আন্দোলনে সরকারকে পতন ঘটিয়েছে। সরকারের পতন হয় নাই, পালিয়ে গেছে। এটা প্রাথমিক বিজয়। যারা বলেন দেড় মাসে সরকারের পতন হয়েছে, তারা স্বপ্নের রাজ্যে বা বোকার স্বর্গে আছেন। গত ১৮ বছর থেকে বিএনপির নেতা- কর্মীর বিরুদ্ধে ১ লক্ষ ৬০ হাজার মিথ্যা, সাজানো, হয়রানিমূলক মামলা হয়েছে। বিএনপির ৬০ লক্ষ নেতা কর্মী আসামী। বেগম খালেদা জিয়া গনতন্ত্রের জন্য, দেশের মানুষের মুক্তির জন্য আন্দোলন করেছেন, মিথ্যা মামলায় জেল খেটেছেন, তিনি অসুস্থ, তার জন্য আমরা সবাই দোয় করি। আমাদের এখন দু’টি কাজ গনতন্ত্র ও সুষ্ঠু ও গ্রহনযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার প্রতিষ্ঠা করা। এ জন্য বিএনপির সংগঠনকে আরো শক্তিশালী করার জন্য আমাদের সবাইকে মাঠে কাজ করতে হবে। উক্ত কর্মী সমাবেশে এসময় পটুয়াখালী জেলা বিএনপির আহবায়ক আলহাজ্ব আব্দুর রশিদ চুন্নু মিয়া এর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব স্নেহাংশু সরকার কুট্টি’র সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটি ( বরিশাল বিভাগ) সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান ও মাহবুবল হক নান্নু। এছাড়াও এসময় পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক মাকসুদ আহমেদ বায়জিদ পান্না মিয়া কে মাইকে তার নেতা – কর্মীদের উক্ত কর্মী সমাবেশের শৃঙ্খলা বজায় রাখার ঘোষণা দিতে দেখা যায়।এ কর্মী সমাবেশে এসময় পটুয়াখালী জেলা বিএনপিসহ সকল অঙ্গসংগঠনের শত শত নেতা কর্মী উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে
সন্ধ্যার পরে ইসলামিক ফাউন্ডেশন ভবনের সভা কক্ষে জেলার বিভিন্ন ইউনিট বিএনপির সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকদের নিয়ে সাংগঠনি কর্মীসভা হবে বলে ঘোষনা করেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব স্নেহাংশু সরকার কুট্টি।