
নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি:
ময়মনসিংহের নান্দাইলে সওজের জায়গা অবৈধ গরুর হাট বসানোর অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য ইউএনও নান্দাইল’কে এডিসি (রেভিনিউ ডিপুটি কালেক্টর) নিদের্শ প্রদান করেছেন। নান্দাইল উপজেলার চন্ডিপাশা ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য আল আমিন খানের অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) রেভিনিউ ডিপুটি কালেক্টর মো. সাব্বির হোসেনের স্বাক্ষরিত এক পত্রে নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)’কে এ নির্দেশনা প্রদান করেন। অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে, ময়মনসিংহ টু কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের পাশে চন্ডিপাশা ইউনিয়নের বারুইগ্রাম চৌরাস্তায় সড়ক ও জনপথ বিভাগের জায়গায় অবৈধ গরুর হাট বসানো হয়েছে। এ বিষয়ে সাবকে ইউপি সদস্য আল-আমিন খান জানান, বিগত ২৭শে জুন/২০২৪ইং হতে স্থানীয় প্রশাসনকে উক্ত সওজের জায়গায় স্থানীয় একটি সিন্ডিকেট দল ও সাবেক মন্ত্রীর লোকজন অবৈধভাবে লাভবান হওয়ার জন্য গরুর বাজারটি জমিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। এতে সরকার বিপুল পরিমান রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অথচ বাজারটি কোন ফেরিফেরি ভূক্ত বাজার হিসাবে স্বীকৃতি ছিল না এবং সরকারি হাটবাজারের কোনো জায়গাও বিদ্যমান নাই। এছাড়া জেলা প্রশাসন কর্তৃক অবৈধ এ গরুর বাজারটি অনুমোদন প্রাপ্ত নয়। নান্দাইল চৌরাস্তা এলাকাটি
একটি ব্যস্ততম জায়গা। যেখানে দূরপাল্লার বিভিন্ন যানবাহন এখান থেকে বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় গমন করে। অবৈধ গরুর হাট বাজারটি বসানোর কারনে যান চলাচলে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে বলে আল-আমিন সহ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক যানবাহন চালকরা অভিযোগ করেন। উক্ত অবৈধ বাজারটি সরকারী ভাবে খাস-কালেকশন করা হলেও- এ যাবত ৫০/৬০ লক্ষ টাকা উপজেলা পরিষদ রাজস্ব আদায় করতে পারতো সরকার। তবে এ বিষয়ে অবৈধ গরুর হাট পরিচালনাকারীদের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তারা কোন বক্তব্য দিতে রাজি হননি। নবযোগদানকারী
নান্দাইল উপজেলা নিবার্হী অফিসার মোছা: সারমিন সাত্তার বলেন, আমি সদ্য যোগদান করেছি, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখছি। ময়মনসিংহের এডিসি (রেভিনিউ ডিপুটি কালেক্টর) মো. সাব্বির হোসেন বলেন, অবৈধ গরু হাট বন্ধে একটি অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিধি মোতাবেক য়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য ইউএনও নান্দাইলকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।