মৃদু শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে দেশের সর্বউত্তরের জেলা পঞ্চগড়। রাতভর কুয়াশা ঝরছে বৃষ্টির মতো।
বুধবার (১৫ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এর আগে, মঙ্গলবার একই সময়ে তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল ৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কনকনে শীত আর হিমেল বাতাস কাবু করছে এখানকার জনজীবন। দুর্ভোগ বেড়েছে খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষের। রাত থেকে সকাল পর্যন্ত ঘন কুয়াশায় ঢাকা থাকে পথঘাট। বিশেষ করে সন্ধ্যা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত শীত বেশি অনুভূত হচ্ছে। ফলে শ্রমজীবীরা সময়মতো কাজে যেতে পারছেন না।
খয়বর নামে এক রিকশাচালক বলেন, ঠান্ডার কারণে সকালে রিকশা নিয়ে বের হতে খুব কষ্ট হয়। এসময় যাত্রীও পাওয়া যায় না।
আনোয়ার নামে এক শ্রমিক বলেন, ঠান্ডার কারণে সকালে কোনো কাজ করতে পারি না। কাজ করলে মনে হয় হাত-পা অবশ হয়ে যাচ্ছে।
এদিকে, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও বিকেলের পর থেকে আবারও বাড়ছে শীতের দাপট। বিপাকে যানবাহন চালকরাও। তাদেরকে হেডলাইট জ্বালিয়ে সাবধানে চলাচল করতে হচ্ছে।
বাবুল নামে এক ট্রাক চালক বলেন, ঘন কুয়াশার কারণে ট্রাকের হেডলাইট জ্বালিয়ে দিলেও সামনের কিছু দেখা যায় না।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের জ্যেষ্ঠ পর্যবেক্ষক জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, ‘আজ সকাল ৯ টায় এ জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ১০০ শতাংশ।