
কক্সবাজারে আলোচিত খুলনার সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর গোলাম রাব্বানী টিপুর হত্যায় জড়িত তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গতকাল মৌলভীবাজারের জুড়ি থানার পাহাড়ি চা বাগান এলাকা থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের গ্রেফতার করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহমেদ পেয়ারের নেতৃত্বে কক্সবাজার জেলা পুলিশের একটি টিম। পরে তাদের সেখান থেকে নিয়ে এসে কক্সবাজারের একটি হোটেল থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আগ্নেয়স্ত্রটি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন,শাহরিয়ার ইসলাম পাপ্পু,গোলাম রসুল ও হত্যাকাণ্ডের দিন টিপুর সঙ্গে হোটেলে অবস্থান করা নারী ঋতু।
বুধবার (১৫ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান জেলা পুলিশ সুপার রহমত উল্লাহ জানান।
পুলিশ সুপার রহমত উল্লাহ বলেন,আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব শত্রুতার জের ধরেই খুন হন খুলনার ৪নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও খুলনা মহানগর সেচ্ছাসেবকলীগের সহ-সভাপতি গোলাম রাব্বানী টিপু। পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টির নেতা শহিদুল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নিতে এই হত্যাকাণ্ড হয়। আটক শাহরিয়ার ইসলাম পাপ্পু কাউন্সিলর টিপুকে গুলি করে হত্যা করে। শাহরিয়ার ইসলাম পাপ্পু ছিলেন নেতা হুজি শহিদুল ইসলামের ভাতিজা।
এই ঘটনায় গুলি করেন শাহরিয়ার ইসলাম পাপ্পু নিজেই এবং কাউন্সিলর টিপু শাহরিয়ার ইসলাম পাপ্পুর চাচা নেতা হুজি শহিদুল ইসলাম হত্যা মামলার অন্যতম আসামি ছিলেন। ১০ বছর পর চাচা হত্যার প্রতিশোধ নিতে ভাতিজা পাপ্পু টিপুকে গুলি করে হত্যা করে।
তিনি আরও বলেন,কাউন্সিলর টিপুকে হত্যার জন্য কক্সবাজারকে উপযুক্ত প্লেস মনে করে খুনিরা। টিপুর সঙ্গে থাকা নারী ঋতুকে টোপ হিসেবে ব্যবহার করে। ঋতু টিপু সম্পর্কে সব তথ্য খুনিদের আদান-প্রদান করে। আরেক আসামি গোলাম রসুল ছিলেন শাহরিয়ার ইসলাম পাপ্পুর সহযোগী। এই মামলা আমরা গভীরভাবেই তদন্ত করছি।
এই ঘটনায় তিনজনকে আদালতে প্রেরণের কথা জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।
এর আগে বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) রাতে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে গোলাম রব্বানী টিপুকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।
ডিআই/এসকে