
কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে খুলনার সাবেক কাউন্সিলর ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গোলাম রব্বানী টিপু হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে কক্সবাজার জেলা পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় কক্সবাজারের পুলিশ সুপার রহমত উল্লাহ সাংবাদিকদের কাছে বিষয়টি নিশ্চিত করেন এবং গ্রেফতার তিন জনই সরাসরি হত্যাকাণ্ডে জড়িত বলে দাবি করেন তিনি। এছাড়া হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্রটিও উদ্ধার করার কথা জানিয়েছেন তিনি।
কক্সবাজার জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন চৌধুরী জানান,আটক ৩ জনের মধ্যে একজন নারী রয়েছে। তাদের তিনজনকে এক সঙ্গে মৌলভীবাজার থেকে মঙ্গলবার বিকেলে আটক করা হয়। তাদের কক্সবাজার আনা হচ্ছে। বুধবার (১৫ জানুয়ারি) বিস্তারিত সংবাদ সম্মেলন করে জানানো হবে বলে জানান তিনি।
এর আগে,গত বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) রাতে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত সংলগ্ন হোটেল সি-গালের সামনের ফুটপাতে দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত হন গোলাম রব্বানী টিপু। পরদিন শুক্রবার নিহতের ভগ্নিপতি ইউনুছ আলী শেখ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে কক্সবাজার সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
তথ্য মতে,গত বৃহস্পতিবার সকালে কক্সবাজার শহরের কলাতলী এলাকার হোটেল গোল্ডেন হিলে ওঠেন আটক ইফতেখার ও গোলাম রব্বানী টিপু। তাদের সঙ্গে রুমি (২৭) নামের এক নারীও ছিলেন। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক।
হোটেলের অভ্যর্থনা কক্ষের একটি সিসি ক্যামেরা ফুটেজে দেখা গেছে,বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা ৩১ মিনিটে ওই নারীসহ নিহত কাউন্সিলর টিপু হোটেল থেকে বেরিয়ে যান। এরপর রাত ৮টা ২০ মিনিটের দিকে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত-সংলগ্ন হোটেল সি-গালের সামনের ফুটপাতে দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত হন গোলাম রব্বানী টিপু। নিহত টিপু ও আটক ইফতেখারের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার ওপর হামলার একাধিক মামলা রয়েছে। তারা গত ৫ আগস্ট থেকে আত্মগোপনে রয়েছেন।
ডিআই/এসকে