
আজ শনিবার বিকাল সাড়ে চারটায় ওবায়দুলের মরদেহ নিয়ে এম্বুলেন্স আসে ওবায়দুলের বাড়িতে। অপেক্ষারত হাজারো মানুষের কান্নার আওয়াজে ভারী হয়ে আসে আশপাশের পরিবেশ। এমন মর্মান্তিক ঘটনায় শান্তনা দেবার ভাষা না থাকলেও বাংলাদেশ জাতীয়বাদী মহিলা দল কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ন সম্পাদক ও ফরিদপুর ৩ আসনের গণমানুষের নেত্রী চৌধুরী নায়াব ইবনে ইউসুফ। সশরীরে হাজির হন কানাইপুরের ওবায়দুরের বাড়িতে। নায়বা ইবনে ইউসুফকে কাছে পেয়ে কান্না করতে থাকেন ওবায়দুলের মমতাময়ী মা এবং পুত্রহারানো বাবা।
নিহত ওবায়দুর পেশায় একজন কাঠমিস্ত্রি ও কৃষিকাজে নিযুক্ত ট্রাক্টর চালক ছিলেন।
পরিবারের সদস্যরা জানান গতকাল ১০ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৩ টার দিকে কানাইপুর বিসিক শিল্পনগরীর কাছে একটি তেলের পাম্পে মোটরসাইকেলের তেল কিনতে যান ওবায়দুর। এসময় খায়রুজ্জামান খাজার নেতৃত্বে ১০ থেকে ১২ জনের একটি দল তাকে ধাওয়া করে ধরে প্রাইভেট কারে করে ফরিদপুর জুট ফাইবার্সের পেছনে নিয়ে যায়।
সেখানে তাকে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করা হয়। তার দুই চোখে লোহার পেরেক দিয়ে খুঁচিয়ে আঘাত করা সহ বাম পা ভেঙে ফেলা হয় বলে জানান তারা। খবর পেয়ে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ (ফমেক) হাসপাতালের ট্রমা সেন্টারে নিয়ে যায়। গুরুতর আহত বিবেচনায় তাকে ঢাকায় রেফার করা হলে পদ্মা সেতু এলাকায় মারা যান তিনি