
নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার জাহাঙ্গীরপুর ইউনিয়নে জমি সংক্রান্ত মামলায় আদালত থেকে জমির স্বত্বাধিকার ও দখলদারী ব্যক্তি হারিছ মিয়ার পক্ষে দুইবার রায় দেয় বিজ্ঞ আদালত। কিন্তুু রায় পাওয়ার
পরেও একই গ্রামের প্রতিপক্ষ জামাল উদ্দিন গংরা হাইকোর্টের নিষেধজ্ঞা অম্যান্য করে জোরপূর্বক জমি দখলে নেওয়ার জোর পায়তারা চালিয়ে যাচ্ছে। এ নিয়ে গত মঙ্গলবার সকালে জাহাঙ্গীরপুর ইউনিয়নের কড়ইকান্দি গ্রামে হারিছ মিয়ার প্রতিপক্ষ মৃত ফিরোজ আলীর পুত্র জামাল উদ্দিন, তাঁর পুত্র আলমগীর, শেখ সাদী, জাহাঙ্গীর ও মৃত শামছুদ্দিনের পুত্র শাহিন, হাসেন গংরা দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র নিয়ে অতর্কিতে বাড়ি-ঘরে হামলা চালায়। এতে হারিছ মিয়া তাদের বাধা দিতে গেলে জামাল উদ্দিন গংরা তাকে বেধরক মারধর করে। উক্ত হামলায় হারিছ মিয়ার পরিবারের আরো ৪/৫ জন আহত হয়। আহতরা নান্দাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লে চিকিৎসা নেয় এবং হারিছ মিয়া গুরুতর আহত হওয়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
কিন্তু প্রতিপক্ষরা এতেই কান্ত হয়নি, বরং ঘটনার পরদিন বুধবার পুনরায় হারিছ মিয়ার বাড়ি ঘরে হামলা চালিয়ে একটি পুরাতন বসতঘর ভাংচুর করে ঘরের টিনের চাল, বেড়া ও খুটি, ঘরের ভিতরে থাকা স্বার্ণালংকার ও নগদ টাকা সহ মূল্যমান মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় হারিছ মিয়ার পুত্র মিজানুর রহমান বাদী হয়ে বুধবার নান্দাইল মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এ বিষয়ে মিজানুর রহমান বলেন, জাহাঙ্গীরপুর মৌজায় আর.ও.আর নং ৯২৫, দাগ নং ৩৫৮৩ ও ৮৪৮৭ এর ৪৭ শতাংশের খাত ২৫ শতাংশ জমি আমার বাবা সাফ কাওলা ক্রয় করে ভোগ দখল করে আসছে। এ নিয়ে জামাল উদ্দিন গংরা আদালতে মামলা দায়ের করলে একাধিকাবার আমাদের পক্ষে রায় আসে।এছাড়া তারা পুনরায় আপিল করায় তা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে ও বর্তমানে জমিতে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তারপরেও তারা
জোরপূর্বক জমি দখলে নেওয়ার জন্য সন্ত্রাসীকর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। হারিছ মিয়া জানান, বর্তমানে জামাল উদ্দিন গংরা আমাদেরকে বসতবাড়ি থেকে উচ্ছেদের জন্য প্রাণনাশ সহ বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে প্রতিপক্ষ জামাল উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।