
ফরিদপুরের আলহাজ্ব আব্দুল খালেক ডিগ্রী কলেজ এর বরখাস্তকৃত তিন শিক্ষকদের মিথ্যাচার, বানোয়াট ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কু-রুচিপূর্ন মন্তব্য করায় সংবাদ সম্মেলন করেছেন।কলেজের ভারপ্রাপ্ত উপাধ্যক্ষ মোঃ সেলিম হোসেন।
আজ মঙ্গলবার (৭জানুয়ারী) বেলা ১২ টার দিকে
ফরিদপুরে প্রেসক্লাবে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি শেখ মনির হোসেনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মাহবুব হোসেন পিয়াল এর সঞ্চালনায় এ সময় লিখিত বক্তব্য পেশ করেন আলহাজ্ব আব্দুল খালেক ডিগ্রী কলেজের ভারপ্রাপ্ত উপাধ্যক্ষ মোঃ সেলিম হোসেন ।
এ সময় তিনি বলেন,দীর্ঘদিন যাবত আমার পিতা সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম আলহাজ্ব আব্দুল খালেক মিয়ার দীর্ঘ প্রচেষ্ঠায় ও কঠোর পরিশ্রমের ফলে আলহাজ্ব আব্দুল খালেক ডিগ্রী কলেজ প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তুলেছেন। তিনি যতদিন চেয়ারম্যান ছিলেন সর্বদা সুনামের সাথে মানুষের কল্যাণে কাজ করে গিয়েছেন। এলাকার মানুষদের সুশিক্ষিত করার জন্য তিনি এই প্রতিষ্ঠান করেছেন।
তিনি অতি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, এই কলেজের তিন শিক্ষক মোঃ মনজুর হোসেন,মোঃ সাহেব আলী,ও মোঃ ইকবাল হোসেন, নিজেদের স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে কলেজটি সহ অন্য সব শিক্ষক অধ্যাপকদের বিরুদ্ধে নানান ভাবে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। যার কারনে ওই তিন শিক্ষকে কলেজ কতৃপক্ষ ইতিমধ্যে বহিষ্কার করেছে। এই তিন শিক্ষকের মিথ্যাচার বানোয়াট ভিত্তিহীন ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমি নিন্দা প্রকাশ করছি।
বরখাস্তকৃত তিনজন শিক্ষক মোঃ মনজুর হোসেন, মোঃ সাহেব আলী এবং মোঃ ইকবাল হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন বলেন,২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে শিক্ষা অধিদপ্তর একটি প্রজ্ঞাপনে বেসরকারি কলেজের কোন শিক্ষক কর্মচারীকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোন প্রার্থীর পক্ষে সরাসরি প্রচারণায় অংশ না নেবার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন।
কিন্তু সেই নির্দেশনা উপেক্ষা করে এই শিক্ষকরা ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার প্রার্থীর পক্ষে জোর প্রচারণায় অংশ নিয়ে নির্বাচন করেন।
সে সময় তারা রাজনৈতিক সেলটার নিয়ে কলেজে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেন।নির্বাচনী পরীক্ষা ২০২৩ এর ইসলাম শিক্ষা প্রশ্ন বোর্ডের হুবহু প্রশ্ন কপি করে পরীক্ষা নেয়া হয়।
কলেজের মিটিংয়ে উচ্চস্বরে মোঃ সাহেব আলী, মোঃ মনজুর হোসেন, মোঃ ইকবাল হোসেন উচ্চস্বরে বক্তব্য দেন এবং অধ্যক্ষ ও উপধাক্ষ ভারপ্রাপ্ত এবং সভাপতিকে বিচার করতে চেয়ে বক্তব্য দেন।
যেটি কলেজের শৃঙ্খলার বিরোধী কর্মকাণ্ড এবং রাজনৈতিক ভাবে বল প্রয়োগ করার অনৈতিক আচরণ করে কলেজের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করা।
নেন ইসলাম শিক্ষা শিক্ষক মঞ্জুর। সেখানে কোন দাড়ি কামাও চেঞ্জ করেন নাই। যেটি তিনি করতে পারেন না চাকুরীর নিয়ম অনুযায়ী। সেখানে একটি প্রশ্নে প্রতিষ্ঠাতা খালেক চেয়ারম্যান ও বর্তমান প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আরিফ চেয়ারম্যানের এর নামে খারাপ ভাবে ব্যঙ্গ করে প্রশ্ন করা হয়।যা শিক্ষার্থীর মাঝে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল।
কলেজের নিয়মতান্ত্রিক কমিটকে নিয়ম বহির্ভূত কমিটি ,পকেট কমিটি, অবৈধ কমিটি বলে বিভিন্ন অফিসে(জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা শিক্ষা বোর্ড, ডিসি অফিস, টিএনও অফিস, জেলা শিক্ষা অফিস) ও বিভিন্ন পত্রিকায় দেওয়া।যেটি কলেজের চাকরির নিয়ম বহির্ভূত শৃঙ্খলা পরিপন্থীর পরিচয় দেয়।উপাধ্যক্ষ ভারপ্রাপ্ত মুহাম্মদ সেলিম হোসেন একজন সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি, বিএনপি করে, তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী পুলিশী মামলা আছে বলে উল্লেখ করে বিভিন্ন দপ্তরে, পত্রিকায় ও বিভিন্ন রিপ্লেট বিলি করে রাজনৈতিক রং মাখিয়ে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে রাজনৈতিকভাবে ফায়দা হাসিলের জন্য তাকে হয়রানি করে কলেজ থেকে বের করে দিয়ে তারা কলেজটি দখল করার কুকর্মের সাথে সরাসরি লিপ্ত থাকেন।
এই তিন শিক্ষক মাগুরা ও ঝিনাইদাহর বাসিন্দা হয়ে কলেজে নিজেদেরআধিপত্য বিস্তারের জন্য শিক্ষকদের মধ্যে গ্রুপিং সৃষ্টি করে কলেজের লেখাপড়ার মান নষ্ট করে চলছেন।তারা কলেজ থেকে খালেক চেয়ারম্যানের পরিবারকে নিশ্চিহ্ন করবে বলে বিভিন্ন লোক মারফত হুমকি প্রদান করেন এবং তারা এও বলেন যে, তারা কলেজের প্রিন্সিপাল ও ভাইস প্রিন্সিপাল হবেন।অথচ তাদের তিনজনকে কলেজে চাকুরি দেয়া আমার নিজের।