
মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার রাঢ়ীখাল ইউনিয়নের হাতারপাড়া এলাকায় মুদি দোকানে আগুন দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই অগ্নিকান্ডের ঘটনায় একটি দোচালা টিনের দোকানের ঘর যাহার মূল্য অনুমান ৭০ হাজার টাকা এবং একটি ছাপড়া ঘর যাহার মূল্য অনুমান ৪ হাজার টাকা, ২টি কাঠের টেবিল মূল্য ৪হাজার টাকা, ১টি কাঠের আলমারী মূল্য ১০ হাজার টাকা, ৪টি কাঠের তাক মূল্য অনুমান ২ হাজার টাকা, ১টি বৈদ্যুতিক মিটার মূল্য অনুমান ২ হাজার টাকা, এবং দোকানে থাকা ১০ কেজি ধান মূল্য অনুমান ৫০০টাকা এবং বিভিন্ন প্রকার খুচরা মুদি ও চায়ের দোকানের মালামাল মূল্য অনুমান ৩০ হাজার ৫০০টাকার মালামাল আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় এক লাখ ২২ হাজার ৫০০ টাকার ক্ষতিসাধন হয়েছে। এ ঘটনায় গত সোমবার আব্দুল হক মোল্লা
মুন্সীগঞ্জ বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৩ নং আমলী আদালতে পিটিশন মামলা দয়ের করেন। ভুক্তভোগী আব্দুল হক বলেন,পূর্ব শত্রুতার জের ধরে হাতারপাড়া এলাকার মৃত মোকসেদ মোল্লার ছেলে বাদল মোল্লা (৬০), জুয়েল মোল্লা (৫১) সোহেল মোল্লা (৪১),জাহাঙ্গীর মোল্লা (৪৬), সহ আরো অজ্ঞাত নামা ২/৩ জন মিলে তারা। গত রবিবার রাতে হাতারপাড়া এলাকায় আমার মুদি দোকানে রাতের আঁধারে আগুন লাগিয়ে মুদি দোকানে থাকা মালামাল পড়ে ছাই করে দেয়। তাদের সাথে জমি সংক্রান্ত মামলা চলতেছে। এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য মো:কামাল হোসেন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আব্দুল হকের সাথে বাদল মোল্লা ও জুয়েল মোল্লাদের সাথে একটি জমি নিয়ে ঝামেলা চলতেছে। কে বা কাহারা আগুন লাগিয়েছে তার মুদি দোকানে সেটা আমি বলতে পারি না। সকালে আমি খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম দেখে এসেছি মুদি দোকানে আগুন লাগার ঘটনাটি সত্যি।
এ বিষয়ে শ্রীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাইয়ুম উদ্দীন চৌধুরী বলেন, ভুক্তভোগী আব্দুল হক আমার কাছে অভিযোগ করতে আসেনি আসলে আমি ব্যবস্থা নিতাম। যেহেতু সে আদালতে মামলা করেছে তদন্ত আসলে বিষয়টি দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।