
সকালের খবর ডেস্ক
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জের পল্লীতে আওয়ামীলীগ নেতা গামছা খলিলের নেতৃত্বে হাতুড়ি বাহিনীর হামলায় বিএনপি কর্মী পলাশ হাসপাতালে। পরিকল্পিত ও নেক্কারজনক হামলার ঘটনায় কালিগঞ্জ থানায় এজাহার দায়ের করেছেন শারমিন সুলতানা। অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে গেছে, উপজেলার বিষ্ণুপুর গ্রামের শামসুর রহমান সরদারের ছেলে বিএনপির কর্মী রাশেদ সামস্ পলাশ (৫৫) গত ৩১ ডিসেম্বর বেলা সাড়ে ১১ টায় বাঁশতলা বাজারে যায় পরিবারের জন্য প্রোজনীয় বাজার করতে। এ সময়ে সম্পূর্ণ পরিকল্পিত ভাবে গ্রামের মৃত বদরুদ্দীন সরদারের ছেলে গামছা বাহিনীর প্রধান খলিল মেম্বারের নেতৃত্বে ২০/৩০ জন হাতুড়ি লোহার রড ও লাঠি সোটা নিয়ে হামলা করে পলাশের উপর। কি হলো পাতাড়ি ভাবে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে তাকে করে মাটিতে ফেলে দেয়। এ সময়ে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা প্রতিবাদ করলে দুর্দান্ত দাপুটে নেতা খলিল মেম্বারসহ তার হাতুড়ি বাহিনীর সদস্যরা পালিয়ে যায়। এদিকে মারাত্মক রক্তাক্ত জখম হওয়া পলাশকে হাসপাতালে নিতে চাইলে আবারো বেপরোয়া হয়ে কালিগজ্ঞ উপজেলা বিএনপির একাংশের সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর আলম ও জেলা তাতীদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদ মোস্তফা এর নেতৃত্বে উপজেলা তরুণদলের সাধারণ সম্পাদক আলতাফ হোসেন, সিনিঃ সহ সভাপতি আশরাফুল ইসলাম, বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আবু ইউসুফ, সাংগঠনিক সম্পাদক তৈবুর রহমান, বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম, মৎসজিবি দলের নেতা সফিরুদিনসহ ২০/৩০ জন হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করলে বাজারের লোকজন তাদের প্রতিহত করে। এক পর্যায়ে থানার ডিএসবি পলাশকে উদ্ধার করে কালিগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করে। তার চরীরে ১৬/১৭ টি হাতুড়ির দাগ, মাথায় দায়ের কোপের দাগ ও এলোপাতাড়ি লাঠির দাগ দেখা গেছে। এঘটনায় কালিগঞ্জ থানায় এজাহার দায়ের করেছে যখমী পলাশের বউ শারমিন সুলতানা। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান উভয়ের পৃথক পৃথক অভিযোগ পেয়েছেন বলে স্বীকার করেন। তদন্ত করে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।