
মোঃ ফিরোজ আহমেদ
স্টাফ রিপোর্টার
নওগাঁর আত্রাই উপজেলার আত্রাই নদীর দুইটি বাঁধ ও একটি বেরি বাঁধ ভেঙ্গে গেছে
এতে উপজেলার ৮/১০টি গ্রাম প্লাবিত হয়ে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় দেড় হাজার পরিবার। এছাড়া পানির নিচে নিমজ্জিত হয়েছে আমন ধান,ভেসে গেছে পুকুরের মাছ। বুধবার দিবাগত রাতে ও আজ বৃহস্পতিবার সকালে আত্রাইয়ের ক্যাশাবাড়ি শ্মশান ঘাট পশ্চিম পার্শের বেড়িবাঁধটি ভেঙ্গে প্লাবিত লোকালয়,পানিবন্দি প্রায় দেড় হাজার পরিবার।
খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।তারা বলছেন,দ্রুতই পানিবন্দি পরিবারগুলোকে খাদ্যসহায়তাসহ সার্বিক সহায়তা করা হবে। আত্রাই উপজেলার জগদাস ও শিকারপুড়ের গ্রামের জনগণ বলেন,গত দুই/তিন থেকে হঠা’ করেই আত্রাই নদীর পানি বৃদ্ধি পেতে থাকে। বুধবার দিবাগত রাতে
জগদাস ও শিকারপুড় এক হাজার ফিট দুরত্বে ভেঙ্গে যায়।
এদিকে আজ বৃহস্পতিবার সকালে ক্যাশাবাড়ি শ্মশান ঘাট পশ্চিম পার্শে বেরি বাঁধটি ভেঙে গিয়েছে। এতে ওই এলাকার কয়েকটি গ্রামের মধ্যে পানি ঢুকে পরে। এতে প্রায় ৪/৫শত পরিবার পানি বন্দি হয়ে পরেছে। এছাড়া ওই এলাকার পুকুর ডুবে মাছ ভেসে গেছে। এছাড়া জমির ধান,সবজি পানিতে তলিয়ে গেছে।আত্রাই উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জানান,বাঁধ ভেঙ্গে প্রায় দেড়/দুইশত পরিবার পানিবন্দি হয়ে পরেছে। কৃষি কর্মকর্তা বলেন,বন্যার পানিতে ওই এলাকার প্রায় ২০ হেক্টর জমির ধান পানির নিচে নিমজ্জিত হয়েছে। ডুবে গেছ সবজি ক্ষেত। ম’স্য কর্মকর্তা জানান,অনেক পুকুর ডুবে মাছ ভেসে গেছে। এতে প্রায় ২৬লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।আত্রাই উপজেলার হাটকালুপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন বলেন,বুধবার সকাল সাড়ে ৬টা নাগাদ আত্রাই নদীর নন্দনালী বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে গেছে। এতে ওই এলাকার কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া আত্রাই-বান্দাইখাড়া পাকা সড়কের নন্দনালী সরদারপাড়া তালতলা এলাকায় পাকা সড়ক পানির তোরে ভেঙ্গে গেছে।
আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সঞ্চিতা বিশ্বাস বলেন,সকাল থেকেই আমরা দুর্গত এলাকায় রয়েছি এবং ভেঙ্গে যাওয়া বাঁধ আটকানোর চেষ্টা করছি। এছাড়া দুর্গতদের জন্য খাদ্যসহায়তা থেকে সার্বিক সহায়তার জন্য জেলা প্রশাসককে জানিয়েছি। আসা করছি খুব দ্রুতই আমরা সহযোগিতা করতে পারবো।