ঢাকা, শুক্রবার, ৪ঠা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
যৌথবাহিনীর অভিযানে সাতদিনে গ্রেফতার ৩৪১
এসো আমরা ঈদের আনন্দের সাথে নিজেরা নিজেদের অবস্থান তৈরি করি-ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান সালেহী
কলাপাড়ায় গৃহবধূর রহস্যজনক নিখোঁজের ঘটনায় গ্রেফতার ৭
নওগাঁয় ধানখেতে গলিত লাশ উদ্ধারের ঘটনায় মুলহোতা গ্রেপ্তার
নাইক্ষ্যংছড়ির পাহাড়ি কন্যা পর্যটন লেকে ঈদে ১৬ বছরের রেকর্ড পর্যটকের ঢল
বাঁশখালীতে টানা ৪১ দিন জামাতে নামাজ আদায় করা ১৭ শিশু-কিশোর সাইকেল উপহার
আত্রাইয়ে ঈদের চতুর্থ দিনেও সাহাগোলা রেলওয়ে স্টেশনজুড়ে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়
ভূরুঙ্গামারী সদর ইউনিয়ন আ’লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক গ্রেফতার
কলমাকান্দায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে গ্রেপ্তার পলাতক অলি আহমেদ
নেত্রকোণা সরকারী কলেজের ঈদ পুনর্মিলনী
ভারতীয় মিডিয়া গুজবে চ্যাম্পিয়ন:স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
জিয়ার শ্রদ্ধা স্মারক সরিয়ে ফেলার অপকর্মে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনুন:জাসাস
কালিগঞ্জে প্রত্যয় গ্রুপের ১৩ তম বর্ষপূর্তি ও ঈদ পুনমিলনী 
পরকীয়া জেরে যুবকের আত্মহত্যা
আমতলীতে তরমুজ পরিবহনে চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত- ৬

দেড় হাজার টাকার জন্য পিটিয়ে হত্যার পর আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলা

সিলেট জেলা প্রতিনিধি:সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে শফিক আলম শাহ (৪৩) নামে এক কৃষককে পেটানোর পর আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে ৬ জনের নামে মামলা হয়েছে।মৃত শফিকের ভাই জহুর আলম শাহ বাদী হয়ে বুধবার ওই ৬ জনের নামে পাওনা টাকার জন্য বেধড়কভাবে পেটানোর পর আত্মহত্যার প্ররোচনা দানের অভিযোগ এনে তাহিরপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলার আসামিরা হলেন- সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের হাওড় তীরবর্তী বালিয়াঘাট গ্রামের আমির আলীর শাহর ছেলে সাকু মিয়া শাহ, একই গ্রামের নওশাদ মিয়ার ছেলে এরশাদ মিয়া, মৃত সিরাজ মিয়ার ছেলে হাবলু মিয়া, আফতাব আলীর ছেলে ওয়াসিম, মৃত আব্দুর রউফের ছেলে তৈাহিদ নুর।
এ মামলায় অভিযুক্তদের কাউকেই গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

প্রসঙ্গত, অভাবের তাড়নায় উপজেলার বালিয়াঘাট গ্রামের আমির আলী শাহর ছেলে সাকু শাহর কাছ থেকে কয়েক দিন পূর্বে দেড় হাজার টাকা ধার নেন শফিক আলম শাহ। সাকু শাহ হলেন শফিক আলমের চাচাতো ভাই। পাওনা টাকা পরিশোধের জন্য গত সোমবার রাতে শফিক আলমের ওপর চাপ দেয়। একপর্যায়ে পাড়াপ্রতিবেশীদের সামনেই শারীরিকভাবে শফিক আলমকে চাচাতো ভাই সাকু শাহ, তার পরিবারের লোকজন ও স্বজনরা বেধড়কভাবে পিটিয়ে লাঞ্ছিত করেন।

এ অপমান সইতে না পেরে সোমবার রাত ৯টা থেকে সাড়ে ৯টার মধ্যে কোনো এক সময় পরিবারের সবার অগোচরে নিজ ঘরে আড়ার সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন শফিক আলম শাহ। পরদিন মঙ্গলবার সকালে নিজ বাড়ি থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে থানা পুলিশ।

মৃতের বড় ভাই মামলার বাদী জহুর আলম শাহ বলেন, পাওনা টাকার অজুহাতে সাকু শাহ, তার পরিবারের লোকজন ও স্বজনরা ১০-১৫ জন বাড়ির উঠানে ফেলে আমার ভাইকে বেধড়ক পিটিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনা ধামাচাপা দিতে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে বলে নাটক সাজায়।

মামলার বাদী জহুর আলম শাহ আরও বলেন, আমরা গরিব মানুষ, আইনের এত মাইরপ্যাঁচ বুঝি না বলেই থানা পুলিশ নুরুল আমিনসহ অন্যদের আসামি করতে বাধা দিয়েছে। বেশি আসামি দিলে না কিতা মামলা নষ্ট (বাদ) হইয়া যাইব গা বলে বুঝাইছে আমরারে থানা পুলিশ। অখন (এখন) আসামিও ধরে না।

বৃহস্পতিবার বিকালে তাহিরপুর থানার ওসি মো. দেলোয়ার হোসেন মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আসামিদের এখনো গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।
সিলেট। ।

শেয়ার করুনঃ