
জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় গত ৫ ই ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার থেকে ওরশের নামে প্রকাশ্য চলছে মাদক সেবন ও বেচাকেনা। উপজেলার দুরমুট ইউনিয়নের সুরুলিয়া এলাকায় মা বারই রানী (রহঃ) মাজারে ৪৩ তম ওরস মোবারকে এ চিত্র দেখা যায়।
তবে উপজেলা ও পুলিশ প্রশাসন এসব মাদক সেবন ও বেচাকেনা বিষয় জেনেও নিরব আছেন বলে অভিযোগ করেছেন সচেতন নাগরিকেরা।
সোমবার (৯ ডিসেম্বর ) সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, সুরুলিয়া এলাকায় হযরত শাহ কামাল ইয়ামেনী (রহঃ) এর স্ত্রী মা বারই রানী (রহ) ইয়েমেনীর মাজার অবস্থিত। এই মাজারকে কেন্দ্র করে প্রতিবছর অগ্রহায়ন মাসের শেষের দিকে মেলা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। মেলাকে কেন্দ্র করেই মাজারের আশপাশে বসে বিভিন্ন দোকান। তবে মেলায় আসা ভক্তদের দোকানে প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে গাঁজা। এবার মেলায় ভক্তদের অর্ধশত গাঁজার দোকান রয়েছে।
মাজারে ওরস পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক লিখনুজ্জামান লিখনের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে জানান,মাজারে এভাবেই চলে।পূর্বেও এভাবেই চলছে।এবারও তাই চলবে।পাগলের ওরসে সরাসরি গাঁজা চলে।এখানে ডিএসবির লোক আছে,প্রশাসনের লোক আছে,সব লোক আছে।ওনাদের সম্মতি নিয়েই চলতাছে।ইউএনও,ডিসি,এসপি, ওসির রেফারেন্সে চলে অনুমতিক্রমে।
মেলান্দহ থানার উপ-পরিদর্শক তারিকুল ইসলাম হিমন জানান,ওখানে দু-তিন জন গিয়ে অভিযান চালানো সম্ভব না।ওখানে সবাই পাগল।অভিযানে কম লোক গেলে আক্রমনের শিকার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একা সেখানে গেলে বেঁধে মারতেও পারে। অভিযানে ২০- ২৫ জনের টিম অংশ নিতে হবে।
মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাসুদুজ্জামান জানান, ওরসে মাদক চলে জানতাম না। আপনাদের মাধ্যমে জানলাম।দ্রুত সময়ের মধ্যে গোয়েন্দা পুলিশের সহায়তা নিয়ে অভিযান চালানো হবে।