
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির বাইশারী ইউনিয়নের আলীক্ষ্যং মৌজার মন্জুর কোম্পানীর ১৭ নম্বর রাবার বাগানের সুপারভাইজারকে অপহরণের ৩ ঘন্টা পর উদ্ধার করেছে পুলিশ । এ ঘটনার মধ্য দিয়ে শ্বাসরুদ্ধকর ৩ ঘন্টার অবসান ঘটে।
অপহৃতের নাম ফুরকান আহমদ ( ৩৩)। তার পিতার নাম আবুল হোসেন। সে দীর্ঘ ধরে এ বাগানে চাকরি করছিলেন। এসব নিশ্চিত করেছেন রাবার বাগান মালিক মন্জুর আহমদ কোস্পানী।
প্রত্যক্ষদর্শী বাগানের শ্রমিক সুলতান আহমদ ও মোহাম্মদ জুবাইর এ প্রতিবেদককে বলেন,মঙ্গলবার
সকাল ৮ টার দিকে তাদের সুপারভাইজার ফুরকান আহমদ প্রতিদিনকার ন্যায় মন্জুর আহমদ কোম্পানির ১৭ নম্বর বাগানে যান। এ সময় তাকে একদল অস্ত্রধারী তার চোখ বেধেঁ অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। দৃশ্য দেখে প্রত্যক্ষদর্শীরা বিষয়টি দ্রুত মালিককে জানান। মালিক স্থানীয় আলিক্ষ্যং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জকে অবহিত করেন। এর পরপর পুলিশ কর্মকর্তা সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটরার দিকে রওয়ানা দেন । তখন বেলা ১১ টা। পুলিশদল আর মন্জুর কোম্পানীর বাগানের অপরাপর শ্রমিকরা অপহত উদ্থারে অপহরণকারীদের আস্তানার কাছাকাছি
পৌঁছলে অপহরণকারী চক্র ভিকটিমকে ছেড়ে দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যান গহীন জঙ্গলের দিকে।
অপহৃত ফুরকান আহমদ সুযোগ বুঝে পুলিশ দল ও বাগানের অপরাপর শ্রমিকদের কথোপকথনের আওয়াজ শুনে দ্রুত তাদের দিকে ছুটে আসেন৷ উদ্থার তৎপরতায় অংশ নেয়া পুলিশ রাবার বাগান শ্রমিক এগিয়ে গিয়ে
অপহৃত ফুরকান আহমদকে মূমুর্ষ অবস্থায় উদ্থার করে। এর পর
ফুরকান আহমদকে উদ্থার করে দ্রুত হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়া হয়। বর্তমানে সে চিকিৎসাধীন। শ্বাসরুদ্ধকর এ অবস্থায়। এ পরিস্থিতিতে ফুরকান আহমদের পরিবার ছিল খুবই চিন্তিত।
এ বিষয়ে আলীক্ষ্যং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ বিলেত্য চাকমা বলেন,অপহরণের খবর পেয়ে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে যাওয়ার প্রাক্কালে অপহরণকারী চক্র ভিকটিমকে ছেড়ে দিয়ে পালিয়ে যান। তাকে উদ্ধার করা হয়।
বিষয়টি স্বীকার করেন নাইক্ষ্যংছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ মাশরুরুল হক। তিনি বলেন বিষয়টি তিনি গুরুত্ব
সহকারে নিয়েছেন । ভিকটিম মামলা করলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে। এছাড়া তিনি নিজেও বিষয়টি
নিয়ে পদক্ষেপ নেবেন।