ঢাকা, রবিবার, ৬ই এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
বাঞ্ছারামপুরে বিএনপির ১১ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ
পঞ্চগড়ের বোদায় গুম, খুন, ছিনতাই, ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল
ফুলবাড়ী পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যদের নিয়ে ঈদ পূর্ণমিলনী
চাঁদাবাজির অভিযোগে কাঁঠালিয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদককে শোকজ
রাজধানীর’ খেতাপুড়ি ‘দখল করেছে পটুয়াখালীর ঝাউবন
ঝিকরগাছায় কিশোরকে বস্তা কিনতে পাঠিয়ে ভ্যান নিয়ে চম্পট
১৭ বৎসর আন্দোলন সংগ্রাম করেছি ,দরকার হলে আবারো নামা হবে: আজিজুল বারী হেলাল
পাঁচবিবিতে মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন জামায়াতের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
টিআরসি নিয়োগে দালালমুক্ত স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার আশ্বাস ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপারের
উলিপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক সংকটে রোগীদের দূর্ভোগ
চিলমারীতে ঐতিহ্যবাহী অষ্টমির স্নান সম্পন্ন
বিএনপি নেতার ওপর বোমা হামলার প্রতিবাদে কয়রায় বিক্ষোভ মিছিল
লঞ্চে মুমূর্ষ নবজাতককে মেডিকেল সহায়তা প্রদান করল কোস্ট গার্ড
আমতলীতে লঞ্চ ঘাট ও বাসস্ট্যান্ডে যৌথবাহিনীর অভিযান, জরিমানা আদায়
কালীগঞ্জে আমিনুর রহমান আমিনের গণসংযোগ শুভেচ্ছা বিনিময়

রুমায় কেএনএ”র আস্তানায় সেনাবাহিনীর অভিযান অব্যাহত, অস্ত্র উদ্ধার

বান্দরবান রুমা উপজেলার কূতাঝিরি এলাকায় কেএনএ”র আস্তানা থেকে সেনাবাহিনী অস্ত্র উদ্ধার করে। ২৯ নভেম্বর (শুক্রবার) ভোরে সেনাবাহিনী কেএনএ”র বিরুদ্ধে চলমান চিরুনি অভিযান চালিয়ে বেশ কিছু অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করেছে সুত্র জানায়।
ঐ এলাকায় গত ২৪ নভেম্বর থেকে চলমান অভিযানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কেএনএ (কুকি-চিন ন্যাশনাল আর্মি) বিদ্রোহী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে চিরুনি অভিযান চালিয়ে আসছে ও দফায় দফায় বেশ কয়েকটি অস্ত্র, অন্যান্য সন্ত্রাসী সরঞ্জাম উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। সেনাবাহিনীর এ গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জন ও চলমান অভিযান স্হানীয় সাধারণ গ্রামবাসীরাও সাধুবাদ জানায়।
নির্ভরযোগ্য সূত্রে, রুমা উপজেলার দুর্গম কূতাঝিরি এলাকাটি সশস্ত্র সংগঠন কেএনএ-এর আঞ্চলিক সদরদপ্তর হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিলো যা দখলে নেয় সেনাবাহিনী। সেনাবাহিনীও বিশ্বস্ত সুত্রকে কাজে লাগিয়ে এই সফল অভিযানে নেমে পরলে বিদ্রোহীদের কার্যক্রমে বড় ধাক্কা হিসেবে ধরা হচ্ছে বলে এলাকাবাসী মনে করেন।
স্থানীয় জনগণের প্রতিক্রিয়ায় জানায়, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে কেএনএ তাদের সশস্ত্র কার্যক্রম বাড়িয়ে তোলে, যা স্থানীয় জনগণের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। কূতাঝিরি এলাকার স্থানীয় জনগণ সেনাবাহিনীর এই কার্যক্রমকে স্বাগত জানিয়েছে। তারা বলেছে, এই অভিযান আমাদের শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা চাই পাহাড়ি এলাকাগুলোতে শান্তি ফিরে আসুক।
অভিযান পরিচালনার কারণঃ কেএনএ বিদ্রোহীরা দীর্ঘদিন ধরে পার্বত্য এলাকায় সশস্ত্র কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের কার্যক্রমে স্থানীয় প্রশাসন এবং সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল। সেনাবাহিনী এবং নিরাপত্তা বাহিনীর তৎপরতায় পার্বত্য অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টা চলমান রয়েছে। কেএনএ-এর বিরুদ্ধে এই অভিযান পাহাড়ি এলাকায় নিরাপত্তা ও শান্তি নিশ্চিত করতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

শেয়ার করুনঃ