
বিদ্যুৎ সংযোগ ছাড়া পৌরসভার সড়কে আলোর উপস্থিতি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বসানো হয়েছে সোলার সিস্টেম স্ট্রিট লাইট। কিন্তু পৌরসভার প্রধান সড়ক গুলোতে অতিরিক্ত ধুলোর কারণে সোলার প্যানেল এর উপর ধুলোর আস্তর পড়ে। এতে প্রায় সময় অকেজো হয়ে পড়ে লাইটগুলো।
স্থানীয়রা জানান, কোনপ্রকার নিয়ম-নীতি তোয়াক্কা না করে বালু ভর্তি ট্রাকগুলো পৌরসভার ভিতর দিয়ে অনায়াসে যাতায়াত করে। তারা গাড়ির গায়ে লেগে থাকা ধুলো বালি ভালোভাবে পরিষ্কার না করে এবং গাড়ির উপরে ত্রিপাল ব্যবহার না করে বালি, পাথর, ইট পরিবহন করে। এর ফলে সড়কে অতিরিক্ত ধুলো বালি পড়ে। যানবাহন চলাচলের সময় সড়কের এই ধুলো বালি বাতাসে মিশে আশেপাশের গাছপালা, বাড়িঘর এর উপর ধুলোর আস্তর জমে। পৌরসভার করতোয়া সেতু হতে ট্রাক টার্মিনাল পর্যন্ত এই মহাসড়কে ধুলোর পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।
সাধারণ পথচারীরা চলাচলে চরম বিপাকে পড়তে হয় এই ধুলোর কারণে। অনেক সময় সাধারণ মানুষের নিঃশ্বাস নিতে অনেক কষ্ট হয়। এই ধুলোর কারনে অনেক সময় সড়কের স্ট্রিট লাইট গুলো জ্বলে না।
এ বিষয়ে পঞ্চগড় পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী প্রণব চন্দ্র দে বলেন, ইতিমধ্যে যে লাইটগুলো লাগানো হয়েছে তার মধ্যে কিছু রয়েছে পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় আর কিছু রয়েছে পৌরস্থ মহাসড়কের উপর। ভিতরে যে লাইট গুলো লাগানো হয়েছে সেগুলো এখন পর্যন্ত কোনো সমস্যা হয়নি। তবে সড়কের উপর দিয়ে লাইটগুলো লাগানো হয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সেগুলো কয়েক দফা মেরামত করেছে। সোলার প্যানেল এর উপর ধুলোবালির আস্তর পড়ার কারণে ঠিকমতো ব্যাটারি চার্জ হয় না। যার কারণে অনেক সময় বাতিগুলো ঠিকঠাক মতো জ্বলে না। কয়েকটি লাইট জ্বলছে না এমন তথ্য পাওয়ার সাথে সাথে বিষয়টি নিয়ে আমরা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ করেছি। তারা এসে পুনরায় লাইটগুলো মেরামত করে দিয়েছেন।
এ বিষয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ জানান, আমরা যে লাইট গুলো লাগিয়েছি সেগুলোর গুণগত মান অত্যন্ত ভালো। প্যানেলের ওপর ধুলোর আস্তর পড়ার কারণে কিছু লাইট মাঝেমধ্যে জ্বলে না। বালি ভর্তি ট্রাকের উপর ত্রিপাল ব্যবহার এবং সড়কের ধুলোবালি নিয়ন্ত্রণ করা গেলে এই সোলার সিস্টেম স্ট্রিট লাইটগুলো দীর্ঘ সময় পর্যন্ত আলো দিবে। স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও পথচারীরা অনেক উপকৃত হবেন।