ঢাকা, রবিবার, ৬ই এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
পাঁচবিবিতে মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন জামায়াতের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
টিআরসি নিয়োগে দালালমুক্ত স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার আশ্বাস ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপারের
উলিপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক সংকটে রোগীদের দূর্ভোগ
চিলমারীতে ঐতিহ্যবাহী অষ্টমির স্নান সম্পন্ন
বিএনপি নেতার ওপর বোমা হামলার প্রতিবাদে কয়রায় বিক্ষোভ মিছিল
লঞ্চে মুমূর্ষ নবজাতককে মেডিকেল সহায়তা প্রদান করল কোস্ট গার্ড
আমতলীতে লঞ্চ ঘাট ও বাসস্ট্যান্ডে যৌথবাহিনীর অভিযান, জরিমানা আদায়
কালীগঞ্জে আমিনুর রহমান আমিনের গণসংযোগ শুভেচ্ছা বিনিময়
আমতলীতে হামলা, লুট ও পিটিয়ে দোকান দখলের অভিযোগ
দেওয়ানগঞ্জে মেয়ের বাড়িতে যাওয়ার পথে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ বাবা মৃত্যু
নড়াইল জেলা ছাত্রদলের সাবেক ও বর্তমান নেতা-কর্মীদের ঈদ পুনর্মিলনী
জামায়াতে ইসলামীতে চাঁদাবাজ সন্ত্রাসের কোনো সুযোগ নেই:রফিকুল ইসলাম
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে কাজ করতে হবে
ভূরুঙ্গামারীতে মুভমেন্ট ফর পাঙ্কচুয়ালিটি’র সম্মেলনের উদ্বোধন
বিরামপুরে আগ্নিকান্ডে সনাতন পরিবারের সর্বস্ব পুড়ে ছাই

সরাইল উপজেলা প্রাথমিকে ১২০ শিক্ষক পদ শূন্য

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলায় ৪০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই। পাশাপাশি সহকারি শিক্ষকের পদও শূন্য রয়েছে ৮০টি। এসব বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন, পাঠদান ও দাপ্তরিক কাজও করতে হয়। ফলে পাঠদান কার্যক্রম চরম বিঘ্ন ঘটছে। যার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা। দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি, অবসর ও মৃত্যুজনিত কারণে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে ১২৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে ৪০টি বিদ্যালয়ে কোন প্রধান শিক্ষক নেই আর সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে ৮০টি। এই বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এ সকল বিদ্যালয়ে সহকারি শিক্ষক না থাকলে প্রধান শিক্ষককে দাপ্তরিক কাজের পাশাপাশি অনেক গুলো ক্লাস নিতে হয়। আবার প্রধান শিক্ষক না থাকলে সহকারী শিক্ষককে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন ও দাপ্তরিক কাজ করতে হয়। এতে করে ঠিকমতো ক্লাস নেয়া সম্ভব হয়ে ওঠে না। সব মিলিয়ে শিক্ষক সংকটের কারণে পাঠদান ব্যাহত হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এখানকার ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা।

এ বিষয়ে সরাইল উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো: নৌসাদ মাহমুদ জানান, অচিরেই এ সমস্যা সমাধান হবে। প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির জন্য সহকারি শিক্ষকদের প্রস্তাব জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে পাঠানো হয়েছে। আর শূন্য পদে নতুন নিয়োগ হলে সহকারি শিক্ষকের সংকটও কেটে যাবে। আমরা শুন্য পদের তালিকা প্রস্তত করে পাঠিয়েছি। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হলে এ সমস্যাও থাকবে না।

শেয়ার করুনঃ