
যশোরের ঝিকরগাছার লাউজানি এলাকা থেকে ৫কেজি বিস্ফোরকদ্রব্য সহ দুইজন মোটরসাইকেল আরোহী আটক করেছে যশোর জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়,যশোর জেলার পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ারদার, বিপিএম (বার), পিপিএম এর দিক-নির্দেশনায় ওসি ডিবি রুপন কুমার সরকার, পিপিএম(বার) এর তত্ত্বাবধানে জেলা গোয়েন্দা শাখার এলআইসি টিম জেলায় সংঘটিত বিভিন্ন চুরি, ডাকাতি, অপহরণ, হত্যার রহস্য উদঘাটনসহ অবৈধ অস্ত্রগুলি উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রেখেছে।এরই ধারাবাহিকতায় ইং ১৮/১১/২০২৩ তারিখ বিকাল ০৩.৪৫ ঘটিকার সময় এসআই মফিজুল ইসলাম, পিপিএম গোপন তথ্যের ভিতিএত সঙ্গীয় এসআই মুরাদ হোসেন এর নেতৃত্বে একটি চৌকশ টিম ঝিকরগাছা থানাধীন লাউজানি রেলক্রসিং এলাকায় চেকপোষ্ট বসিয়ে বেনাপোল থেকে আসা ১টি টিভিএস মোটরসাইকেল যোগে ২ আরোহীকে চেলেঞ্জ করলে গ্রেফতার এড়ানোর উদ্দেশ্যে হেলমেট দিয়ে এসআই মফিজুল ইসলামকে আঘাত করে পলায়নের চেষ্টা করে সে সময় সঙ্গীয় এসআই মুরাদ হোসেন ও ফোর্স মোটরসাইকেল আরোহী ২ জনকে গ্রেফতার করে স্থানীয় জনতার সহায়তায় তল্লাশীকালে তাদের হেফাজত থেকে ৫কেজি ওজনের বোমা/ককটেল তৈরীর বিস্ফোরকদ্রব্য উপাদান পাওয়া যায়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, চলমান রাজনৈতিক সহিংসতায় খুলনা অঞ্চলে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির লক্ষ্যে বোমা/ককটেল বানানোর জন্য খুলনা জেলার সন্ত্রাসী জিতুর নির্দেশে তারা বেনাপোল সীমান্ত থেকে খালিদ নামের এক ব্যক্তির নিকট থেকে সংগ্রহ করে খুলনার উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছিলো পুলিশ সূত্রে জানা যায়।
আসামীর তথ্য:১। হিমেল বাবু (২৪), পিতা- আমিনুল ইসলাম, সাং- বানিয়াখামার, থানা-খুলনা সদর,২। নোমান খান (২৮), পিতা- আজাদ খান, সাং-ঠিকরাবাদ, থানা-বটিয়াঘাটা, উভয় জেলা-খুলনা।
উদ্ধারকৃত আলামতঃ২কেজি ফসফরাস,বিষ্ফোরক উপাদান ৩কেজি সালফার রাসায়নিক পদার্থ, যাহা বিষ্ফোরক১টি মোটরসাইকেল,২টি মোবাইল ফোন।এ ঘটনায় এসআই মফিজুল ইসলাম আঘাত প্রাপ্ত হয়ে চিকিৎসাগ্রহন শেষে বাদী হয়ে ঝিকরগাছা থানায় মামলা দায়ের করেছে।